প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
টানা বৃষ্টির ফলে চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদসহ বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এই সব অঞ্চলে গোড়ালি থেকে হাঁটু সমান পানি জমে রয়েছে। জলাবদ্ধতার ফলে সড়কগুলোতে যান চলাচলে ব্যাহত হচ্ছে। এতে নগরবাসী ভোগান্তিতে পড়েছে। সকালে বৃষ্টির পানির সাথে জোয়ারের পানি মিশে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি ঘটে।
চট্টগ্রাম পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ চৌধুরী জানিয়েছেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় (মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত) ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। এটি অতি ভারী বৃষ্টিপাত হিসেবে চিহ্নিত। এই বৃষ্টিপাত শনিবার থেকে ক্রমাগত অব্যাহত রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ বৃষ্টিপাত শুক্রবার পর্যন্ত চলবে। মৌসুমী বায়ু সক্রিয় রয়েছে। এছাড়া পাহাড় ধসের আশংকা রয়েছে বলেও তিনি জানান। পূর্ববর্তী সতর্কাবস্থাই বলবত রয়েছে।’
এদিকে টানা বৃষ্টির ফলস্বরূপ নগরীর বাণিজ্যিক এলাকা আগ্রাবাদ, কাতালগঞ্জ, কাপাসগোলা, ফরিদার পাড়া, চান্দগাঁও, চকবাজারের তেলেপট্টি গলি, কাট্টলীর ঈশান মহাজন সড়ক, হালিশহরের কে ও এল ব্লকের সোনালি আবাসিক, বসুন্ধরা আবাসিক, রামপুর এবং আনন্দীপুরসহ বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এই সব এলাকার মধ্যে আগ্রাবাদ এবং কাতালগঞ্জে হাঁটু সমান পানি জমে রয়েছে। ঈশান মহাজন সড়কে গাছ ভেঙে পড়েছে এবং গাড়ি চলাচল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে। পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের সামনের রাস্তাটি ধসে পড়েছে।
নগরবাসীর অনেকেরই সকালে কাজে যাওয়ার সময় গাড়ি না পাওয়ার কারণে ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা বলেছেন, ‘নগরের বেশ কয়েকটি স্থানে পানি জমে গেছে। বৃষ্টির পানির সাথে সকালে জোয়ারের পানি যুক্ত হওয়ায় এই জমাট অবস্থা তৈরি হয়েছে। তবে নালা ও খাল পরিষ্কার থাকা সত্ত্বেও পানি দ্রুত নেমে যাচ্ছে।’
নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, পানি উন্নয়ন বোর্ড চারটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পগুলো ৮ থেকে ১০ বছর ধরে চালু রয়েছে। গত মার্চ মাস পর্যন্ত এই প্রকল্পের ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন