প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
দেশজুড়ে হামের সংক্রমণের উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন আবার শুরু হতে যাচ্ছে। এই ক্যাম্পেইনে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের টিকা প্রদান করা হবে। নিয়মিত টিকাদানে যেসব শিশু বাদ পড়েছে, তাদেরও এই টিকার আওতায় আনা হবে।
শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হওয়া এই হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত।
শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি করার জন্য টিকা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। এ কারণে চিকিৎসকরা মা-বাবাদেরকে আন্তরিক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. হালিমা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, "৯ থেকে ১৫ মাসের মধ্যে যে দুটি টিকা, যেটিকে আমরা এমআর ভ্যাকসিন বলি, সেটি অবশ্যই নিতে হবে।" তিনি আরও বলেন, "সরকারের ইপিআই শিডিউল অনুযায়ী টিকা গ্রহণ করতে হবে এবং অতিরিক্ত ডোজও রাখতে হবে।"
তিনি মা-বাবাদের উদ্দেশ্যে বলেন, "আপনারা আপনার বাচ্চাদের অবশ্যই টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসবেন এবং হাম-রুবেলার যে ভ্যাকসিনটি, সেটি অবশ্যই দেবেন।"
এদিকে, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক মির্জা মোহাম্মদ জিয়াউল ইসলাম জানান, "এটি একটি মপআপ প্রোগ্রাম। মপআপ মানে হচ্ছে, যারা বাদ পড়ে গিয়েছে, বা যারা জানতেন না, অথবা যাদের লজিস্টিক সমস্যার কারণে টিকা নিতে পারেনি, তাদের ক্যাচ করা। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।"
এর আগে, ইউনিসেফ, গ্যাভি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত সারা দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়েছিল। সেখানে ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন