প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
দেশে ডিজিটাল ব্যাংক চালুর জন্য আরও পাঁচটি প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক অনুমোদন লাভ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বিকাশ, রবি, বাংলালিংক ও স্কয়ারের যৌথ উদ্যোগে গঠিত চারটি নতুন প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রাথমিক সম্মতিপত্র বা লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর পাশাপাশি পূর্বে প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককেও এলওআই দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।
নতুন চারটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক এবং ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান। বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা হচ্ছে বিকাশের শেয়ারধারীরা। বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা রবির মূল প্রতিষ্ঠান আজিয়াটা লিমিটেড।
নোভা ডিজিটাল ব্যাংকটি বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওন ও স্কয়ার গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে গঠিত হয়েছে। ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটানের উদ্যোক্তা হচ্ছে ভুটানের ডিকে ব্যাংক। একই সঙ্গে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককেও এলওআই দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান মন্তব্য করেন, “আজকের পর্ষদ সভায় আগে অনুমোদন পাওয়া কড়িসহ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এখন লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) প্রদান করা হবে। প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করলে তাদের চূড়ান্ত লাইসেন্স দেওয়া হবে।”
এর আগে ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক আবেদন গ্রহণ করেছিল। ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত লাইসেন্সের জন্য আবেদন গ্রহণ করা হয়। ওই সময় ১৩টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছিল। এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী, ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী সংস্থা, মোবাইল অপারেটর ও মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতা ছিল।
তবে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বিভিন্ন কারণে এসব আবেদনের অনুমোদন দেওয়া হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বিক্ষোভসহ নানা পরিস্থিতির কারণে তখন প্রক্রিয়াটি এগোয়নি। ওই সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ছিলেন আহসান এইচ মনসুর।
পরে বিএনপি সরকার গঠনের পর আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে মোস্তাকুর রহমানকে গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর নতুন করে আর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হয়নি। আগের ১৩টি আবেদনের মধ্য থেকেই চারটি প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ব্যাংকের কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে প্রাথমিক সম্মতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ।
এলওআই পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে। শর্ত পূরণ হলে তাদের চূড়ান্ত লাইসেন্স দেওয়া হবে। এরপরই ডিজিটাল ব্যাংক হিসেবে কার্যক্রম শুরু করার সুযোগ পাবে প্রতিষ্ঠানগুলো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন