প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২০২৭ সালের নভেম্বরে বহুল প্রতীক্ষিত ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’র কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর নিষ্কাশন খাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য প্রদান করেন।
তিস্তা মহাপরিকল্পনার অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিস্তা ইস্যুতে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে ইতোমধ্যে কারিগরি পর্যায়ে আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। নদী বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কারিগরি কমিটি বর্তমানে কাজ করছে। তিস্তার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজও প্রায় শেষের দিকে রয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ফিরে আসার পর এ বিষয়ে অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রকল্পের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার জন্য দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ গ্রহণ করা হচ্ছে, উল্লেখ করে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, সিইজিআইএস, নদী কমিশনের কর্মকর্তা ও বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি চীন, নেদারল্যান্ডস ও মালয়েশিয়ার বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকেও পরামর্শ নেয়া হচ্ছে। এসব পরামর্শের সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) প্রস্তুত করা হবে। স্থানীয়দের জন্য সবচেয়ে বেশি সুফল নিশ্চিত করতে ডিপিপি তৈরিতে আরও আট থেকে নয় মাস সময় লাগবে।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে, প্রতিমন্ত্রী এ কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ও রংপুর- এই পাঁচ জেলার প্রায় তিন কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর হবে।
মহেন্দ্রনগর নিষ্কাশন খালের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি জানান, আগামী ১৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লালমনিরহাটে আসবেন এবং দৃষ্টিনন্দন খালটির উদ্বোধন করবেন। এর ফলে এলাকার কয়েক হাজার মানুষ সরাসরি সেচ সুবিধা লাভ করবেন। পাশাপাশি খালের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ করা হবে, যা ‘নতুন লালমনিরহাটের’ দ্বার উন্মোচন করবে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মুহা. রাশেদুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদের প্রশাসক একেএম মমিনুল হক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা সুনীল কুমার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনীতা দাসসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন