প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
লক্ষ্ণীপুরে দীপ্ত টিভির জেলা প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলমকে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, আটক সাকিবকে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় এবং সন্ত্রাসী বিরোধী আইন অনুযায়ী দুই মামলায় বুধবার বিকালে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলমকে হত্যার চেষ্টা সংক্রান্ত মামলায় অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার সকালে সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম সদর থানায় সন্ত্রাসী সাকিবসহ ৬ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওয়াহিদ পারভেজ। তিনি জানান, এসব মামলার পাশাপাশি সাকিবের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন থানায় হত্যা, মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। মামলার বিবরণে সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম জানান, মঙ্গলবার দুপুরে লক্ষ্ণীপুর শহরের স্কুল থেকে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ির দিকে যাওয়ার সময় সদর উপজেলার আটিয়াতলী এলাকায় পৌঁছালে সাকিব বাহিনী প্রধান ও তার কয়েকজন সহযোগী তাকে মারধর করে হত্যার চেষ্টা চালায়।
এ সময় সাংবাদিকের দিকে গুলি ছোড়া হয়। সন্ত্রাসী সাকিব প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার হুমকি দেয়। ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় সাকিবকে ঘেরাও করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দেয় স্থানীয়রা। মাদক ব্যবসা এবং সাকিবের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় এই ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। পুলিশ ও স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, সন্ত্রাসী সাকিব হোসেন সদর উপজেলার আটিয়াতলী এলাকার সেলিম ড্রাইভারের ছেলে। তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের উপজেলা পর্যায়ের নেতা। সাকিবের একটি সন্ত্রাসী বাহিনী রয়েছে এবং তিনি সেই বাহিনীর প্রধান। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তিনি এলাকায় মাদক ব্যবসার সাথেও জড়িত। বৈষম্যবিরোধী চার শিক্ষার্থী হত্যা মামলার অন্যতম আসামী ছিলেন সাকিব। কয়েকদিন আগে শিক্ষার্থী হত্যা এবং মাদক আইনের মামলায় দীর্ঘদিন কারাভোগ করার পর সম্প্রতি জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও এলাকায় মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। ইতিমধ্যে সাকিব ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর গ্রেফতার এবং বিচারের দাবিতে ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি শিক্ষকতার পেশার সাথেও জড়িত জাহাঙ্গীর।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন