প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, পরীক্ষার পদ্ধতির সিস্টেম অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার, ডিসি ও ইউএনওরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবেন, যে পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব কি না। তাঁরা যদি দুর্যোগ দেখেন তবে পরীক্ষা নেয়াও বন্ধ করতে পারেন। আমরা তাঁদের সঙ্গে বার বার যোগাযোগ করেছি, তাঁরা জানিয়েছেন যে, সঠিকভাবে পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য আমাদেরও খুব মায়া রয়েছে, এজন্য আমরা প্রতিনিয়ত মনিটরিং করে যাচ্ছি।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এদিন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা শিক্ষামন্ত্রীকে প্রশ্ন করেছেন, টানা বৃষ্টির কারণে ঢাকাসহ বড় বড় শহর পানিতে ডুবে গেছে। শিক্ষার্থীরা অনুরোধ করেছেন পরীক্ষা পেছাতে। কিন্তু পরীক্ষা পেছানো হয়নি, ফলে আজকে আন্দোলন হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রীর কাছে আমার প্রশ্ন হলো, দুই একদিনের জন্য পরীক্ষা পেছাতে কী সমস্যা ছিল?
জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার জন্য সারাদেশে ৬৪ জেলায় ২৭০০ সেন্টার রয়েছে। সব সেন্টারেই একসঙ্গে পরীক্ষা শুরু হয়। চট্টগ্রামে বন্যা শুরু হলে, আমরা প্রথমে রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির পরে পুরো চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত করেছি। আমরা দেখছিলাম বৃষ্টি হচ্ছে এবং মনিটরিং করছি। আমরা সব জেলার এসপি, ৮টি বিভাগীয় কমিশনার, প্রতিটি বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং ইউএনও, সবার সঙ্গে কথা বলেছিলাম। এমনকি আবহাওয়াবিদদের সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে।
তিনি বলেন, আবহাওয়াবিদরা বলেছিলেন যে, বৃষ্টি হবে না। বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত আমরা স্থির হয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সকলেই বললো আবহাওয়া ভালো হবে। এজন্য আমরা পরীক্ষা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কিন্তু সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখি কুমিল্লা সরকারি কলেজের মাঠ পানিতে ভরে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে আমি পরীক্ষাকেন্দ্র স্থানান্তরের নির্দেশ দিই। এছাড়া সারাদেশের ইউএনও, জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলেছি, তাঁরা জানিয়েছেন কোথাও পরীক্ষা নিয়ে কোনো দুর্যোগ ঘটেনি। কুমিল্লা মহিলা কলেজেই ঘটনা ঘটেছে একবার। যে মেয়েটির কাপড় ভিজে গিয়েছিল, তাঁর জন্য শুকনো কাপড় এনে এক ঘণ্টা পর পরীক্ষায় বসানো হয়েছে। পরীক্ষার সময়সীমাও বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ফিজিক্সের ৬ এবং ৭ নম্বর প্রশ্ন দুটি ভুল হয়েছে। আমরা দায়িত্ব পেয়েছি মাত্র চার মাস। এই প্রশ্নগুলো আগের মডারেটররা করেছেন। আমরা ক্ষমতায় এসে কোনো প্রশ্ন তৈরি করিনি। বিগত সরকারের মডারেটররাই প্রশ্ন করেছে। তবুও আমরা তাৎক্ষণিক ঘোষণা দিয়েছি যে, প্রশ্ন দুটির ফুল মার্ক দিয়ে দেবো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন