প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া। অথচ গত ১৬-১৭ দিনে আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য কোনো অনুরোধ পাঠাইনি।
সিএনএনের একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত দুই সপ্তাহে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা বা উদ্যোগ নেয়নি। পাশাপাশি, ইরান জানিয়েছে যে, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণও তারা ছাড়বে না। এই বিবৃতিটি তারা জর্ডানের যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে নতুন দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে করেছেন।
গারিবাবাদি উল্লেখ করেন, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বিরোধের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে। কারণ বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশের বেশি এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে যে, এই কৌশলগত জলপথে অবাধ নৌ চলাচল পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে।
তার দাবি অনুযায়ী, গত মাসে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী সমুদ্রপথে মাইন অপসারণের দায়িত্ব ইরানের। এ কারণে মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে প্রণালির কাছাকাছি আসতে দেওয়া হয়নি।
কাজেম গারিবাবাদি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ছাড়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। যদি প্রণালিটি আগের অবস্থায় ফিরে যায়, তাহলে এই যুদ্ধে আমাদের সাফল্য পূর্ণাঙ্গ হবে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি যোগ করেন, ওমান দক্ষিণাঞ্চলে মাইন অপসারণের জন্য অন্য একটি দেশকে আনতে চেয়েছিল। কিন্তু আমরা তা অনুমোদন করিনি।
গারিবাবাদি আরও ইঙ্গিত দেন যে, হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজের কাছ থেকে ইরান যাতায়াত ফি আদায়ের অধিকার সংরক্ষণ করে। তার মতে, সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী ইরান কেবল ৬০ দিনের জন্য বিনামূল্যে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে বাধ্য।
সূত্র: সিএনএন
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন