প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে বিয়ের মাত্র এক মাস পর প্রভাষক আছিয়া আক্তার মিমের (২৬) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকার বাসায়, স্বজনরা তাকে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় উদ্ধার করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে, চিকিৎসক সন্ধ্যা ৭টার সময় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত মিমের বাবার নাম হলো মৃত মনিরুজ্জামান। তার বাবা-মা হাসনাবাদ এলাকায় থাকেন। তিনি সিদ্ধেশ্বরী কলেজের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন। পড়াশোনা করার পাশাপাশি তিনি হাসনাবাদ কামুচাঁন শাহ্ স্কুল অ্যান্ড কলেজে লেকচারার (প্রভাষক) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মাত্র এক মাস আগে পেশায় রিকশা গ্যারেজের মালিক ইমামুল ইসলামের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল।
হাসপাতালে মিমের স্বামী ইমামুল ইসলাম জানান, তারা একই বাড়ির ৩য় তলায় বাস করছেন। ২য় তলায় বসবাস করছেন মিমের বাবা-মা। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে ছোটখাট ঝগড়া চলছিল। আজও তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছে। নতুন একটি বাড়ির নির্মাণ কাজ চলছে। দুপুরে ইমামুল সেই বাড়ির কাজের তদারকি করার জন্য চলে যান। বিকেলে বাসায় ফিরে মিম খাবার খেয়েছে কি না, জানতে শাশুড়ির কাছে প্রশ্ন করেছিলেন। এরপর তিনি বাসার দ্বিতীয় তলায় ঘুমাতে যান। ঘুম থেকে উঠে মিমকে দেখতে না পেয়ে তিনি খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাসার তৃতীয় তলার একটি কক্ষ ভেতর থেকে আটকানো অবস্থায় দেখতে পান। অনেক ডাকাডাকির পরেও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে তিনি দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে দেখেন, সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।
ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনা সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন