প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি এবং সরকারি পরিষেবার প্রতি অসন্তোষের কারণে ফ্রান্সে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন সহিংস রূপ ধারণ করেছে। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে বিভিন্ন শহরে কারফিউ এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আগামী ২৪ অক্টোবর নতুন বিক্ষোভের ডাক দেওয়ার আগে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ফরাসি প্রশাসন।
এএনআইয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্যারিসের প্লেস দে লা রিপাবলিক, লেস হ্যালস এলাকা, লিঁও এবং অন্যান্য শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। সোমবার রাতে বড় ধরনের সহিংসতার খবর পাওয়া না গেলেও, কর্তৃপক্ষ নতুন সংঘর্ষ এবং ভাঙচুর প্রতিরোধে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
বিক্ষোভের ঘটনায় আড়াই হাজারের বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সাম্প্রতিক সহিংসতায় বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে, এবং লিমোজ শহরের ঐতিহাসিক টাউন হলে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।
ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ স্বীকার করেছেন যে, শনিবারের বিক্ষোভের সময় প্রশাসন কিছু শহরের পরিস্থিতির তীব্রতা আগেভাগে সঠিকভাবে অনুমান করতে পারেনি। ফলে কিছু এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সরকার বিক্ষোভকারীদের দাবিগুলো শোনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে ভাঙচুর এবং সহিংসতায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে।
সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে স্কুলে শিক্ষার্থীসংখ্যা বৃদ্ধি, জরাজীর্ণ ভবন এবং শিক্ষকসংকটের প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু হয়েছিল। পরে জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি ও সরকারি পরিষেবার মান নিয়ে অসন্তোষের কারণে আন্দোলন আরও বিস্তৃত হয়েছে। এতে শ্রমিক সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেছে।
আগামী ২৪ অক্টোবরের বিক্ষোভকে সামনে রেখে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এখন ফরাসি প্রশাসনের প্রধান চ্যালেঞ্জ। নতুন সহিংসতা ছড়িয়ে পড়া প্রতিরোধে বিভিন্ন শহরে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। তথ্যসূত্র: এএনআই
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন