প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বরিশাল নভোথিয়েটার প্রকল্পের কাজ ছয় বছর পেরিয়ে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশে ঠেকেছে।
কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার আগেই এই মেগা প্রকল্পটিতে অনিয়ম শুরু হয়েছে।
বর্তমানে পুরো ভবনে এখনও বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়নি। তবুও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এসির ডাক্টিং লাইন এবং মেশিন বসিয়ে কোনো ধরনের টেস্টিং ও কমিশনিং ছাড়াই ১৩ কোটি টাকার বিল তুলে নিয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে যে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা এবং সন্তোষজনক সনদ নিয়েই এই কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সুবিশাল ভবনের ছাদের সিলিংয়ে এসির ডাক্টিং লাইন স্থাপন করা হয়েছে এবং এসির মেশিন বসানো হয়েছে।
যদিও আপাতদৃষ্টিতে কাজ সম্পন্ন মনে হচ্ছে, কিন্তু এর ভেতরে লুকিয়ে আছে শুভঙ্করের ফাঁকি।
ভবনটিতে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকা সত্ত্বেও এসি সচল হওয়া অত্যন্ত দুরূহ, এমনকি তা সচল আছে কিনা তা পরীক্ষা করার সুযোগ পর্যন্ত নেই।
গণপূর্ত বরিশাল কার্যালয়ের নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ভবনে এসি সরবরাহ ও স্থাপনের দরপত্র পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘এয়ারকন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড’।
২০২৫ সালে তারা এসি বসালেও, তা সচল না করেই ওই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ১৩ কোটি ১২ লাখ ৬০ হাজার ৭৫৩ টাকার পুরো বিল তুলে নেয়।
গণপূর্তের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে শুরু হওয়া এই মেগা প্রকল্পের কাজ ৬ বছর পেরিয়ে গেলেও, এখনো ২০ শতাংশ কাজ বাকি রয়েছে।
বাংলাদেশ ইলেকট্রিক্যাল কন্ট্রাক্টর অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি গোলাম মোস্তফা বলেন, 'বিদ্যুৎ সংযোগ ছাড়া এবং যন্ত্রপাতির কার্যকারিতা পরীক্ষা (টেস্টিং ও কমিশনিং) না করে পুরো বিল তুলে নেয়া সম্পূর্ণ বেআইনি।
এটি সরকারি অর্থের সুস্পষ্ট অপচয় এবং বড় ধরনের অনিয়ম।
বিষয়টি সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের গভীরভাবে তদন্ত করে দেখা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত,' বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ ব্যাপারে এয়ারকন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা মিডিয়া কর্মীদের সাথে কোনো ধরনের কথা বলতে রাজি হননি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন