প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
স্পেন ও আর্জেন্টিনার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের মাধ্যমে ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের পর্দা নেমে গেছে। তবে ফিফার বিরুদ্ধে সমালোচনার অবসান ঘটছে না। এবার জার্মানির কিংবদন্তি ফুটবলার লোথার ম্যাথেউস, যিনি আন্তর্জাতিক ম্যাচে রেকর্ড সংখ্যক খেলা সম্পন্ন করেছেন, বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার তীব্র সমালোচনা করেছেন।
স্পোর্ট বিল্ডে তার কলামে লোথার ম্যাথেউস উল্লেখ করেন, "ফুটবলকে আগেই বিক্রি করে দিয়েছে ফিফা।" তিনি বালোগানের লাল কার্ড প্রত্যাহারকে ‘ফেয়ারপ্লে এবং ফুটবলের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
তিনি বলেন, "ট্রাম্পের ফোনের পর ফিফা যেভাবে বালোগুনের লাল কার্ড স্থগিত করেছে, তা সম্পূর্ণ আলোচনার বাইরে। এটি কখনোই হওয়া উচিত ছিল না—এটি ফেয়ারপ্লে এবং ফুটবলের সঙ্গে এক চরম বিশ্বাসঘাতকতা।"
ম্যাথেউস তাছাড়া পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে চলতে থাকা ট্রাম্প-ইনফান্তিনো শো, ফুটবলের আমেরিকায়ন এবং চরম বাণিজ্যিকীকরণ নিয়ে ব্যাপক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
হাইড্রেশন ব্রেক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "কারো কোনো ড্রিংকস ব্রেকের প্রয়োজন নেই। ফিফা এবং টিভি চ্যানেলগুলো কেবল এই বিরতিগুলোকে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে—এটি বিরতি দেওয়ার আসল কারণ।"
ফাইনাল ম্যাচের হাফ-টাইম শোকে অপ্রাসঙ্গিক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, "দারুণ সব শিল্পী এবং দুর্দান্ত গান ছিল, কিন্তু কেন হাফ-টাইমে? এতে বিরতির সময় অযথা অনেক দীর্ঘ হয়ে যায়। এগুলো ম্যাচের শুরুতেই আয়োজন করা যেত।"
এছাড়া বিশ্বকাপ টিকিটের আকাশচুম্বী দাম নিয়েও তিনি কড়া সমালোচনা করেছেন। ম্যাথেউস বলেন, "বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে সমর্থকদের জন্য টিকিটের দাম ছিল বহুগুণ বেশি। হয়তো আমার চিন্তা একটু বেশি রোমান্টিক শোনাতে পারে, তবে আমি চাই ফুটবল যেন ফুটবলের জায়গাতেই থাকে—সবার জন্য উন্মুক্ত!"
কলামের শেষভাগে ফুটবলের বাজারমুখী আচরণকে একটু কটাক্ষ করে তিনি উদাহরণস্বরূপ জানিয়ে দেন, "হয়তো পরবর্তী বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা বাড়িয়ে ৬৪ করা হতে পারে! তাহলে অন্তত একটা সুবিধা হবে—ইতালিও নিশ্চিতভাবে খেলার সুযোগ পেয়ে যাবে!"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন