প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
চুরি, অসংগতি ও বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগের মধ্যে আন্তর্জাতিক জার্নাল থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ১২টি গবেষণাপত্র প্রত্যাহারের (রিট্র্যাক্ট) ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই তদন্ত কমিটি গঠনের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটনপূর্বক সত্যাসত্য নির্ধারণের চেষ্টা হচ্ছে। গঠিত ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটিকে আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।
শনিবার (৮ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক আরটিভিকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে, ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিবেন।’
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের অফিস সূত্রে জানা যায়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন গবেষকের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত প্রবন্ধে অনিয়ম পরিলক্ষিত হওয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রত্যাহার হওয়ার বিষয়ে প্রকৃত তথ্য উদ্ঘাটনপূর্বক সত্যাসত্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে তদন্ত করা হচ্ছে। উপাচার্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন সুপারিশসহ প্রতিবেদন প্রদানের জন্য।
তদন্ত কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্বে আছেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মমতাজুল ইসলাম। সদস্য হিসেবে রয়েছেন ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম এবং ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. আসাদ-উদ-দৌলা।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ড. মমতাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি এখনও চিঠি পাইনি। চিঠি হাতে পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে আগাবো।’
প্রসঙ্গত, এর আগে গবেষণাপত্রে লেখকত্ব বা প্রতিষ্ঠানের পরিচয় নিয়ে সমস্যা, তথ্যসূত্র বা রেফারেন্স সংক্রান্ত সমস্যা, চিত্র সংক্রান্ত অসঙ্গতি বা ডুপ্লিকেশন, সংশয়যুক্ত ফলাফল বা উপসংহার সহ নানা চুরি ও অনিয়মের অভিযোগে বিশ্বের বিভিন্ন জার্নাল থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব গবেষণাপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন