প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
আদালতে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি হওয়ার পর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৬ হাজারের বেশি প্রধান শিক্ষককে পদোন্নতি দেওয়া যাবে এবং ৩৮ হাজারের বেশি নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শুধু প্রাথমিক নয়, মাধ্যমিকেও শিক্ষক সংকট রয়েছে। আজকের দিনেই রিকুইজিশন তৈরি করতে সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে মন্ত্রণালয় কাজ করবে।
এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘সরকার প্রাথমিক স্তর থেকেই আনন্দময় এবং নৈতিক শিক্ষার সমন্বয় রেখে একটি নতুন কারিকুলামের ব্যাপারে কাজ করছে। এসএসসির পরে এইচএসসিতে অনেকেই dropout করে। সামাজিক এবং পারিবারিক নানা কারণে এটি হতে পারে। তবে হঠাৎ করে বড় ধরনের dropout অবশ্যই চিন্তার বিষয়। এটা খারাপ সূচক।’
এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞ। ৩৬ হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষক ছাড়া অচল ছিল। আমরা বড় জটিলতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারলাম।’
অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘আদালতের রায়ের মাধ্যমে আইনি বাধা দূর হয়েছে। বিপুল সংখ্যক নিয়োগ আটকে ছিল, সেটিকে সমস্যার সমাধানে সরকারের সব মহল থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা এই মুহূর্ত থেকে দূর হচ্ছে। মন্ত্রণালয় এখন থেকেই কার্যক্রম শুরু করতে পারবে, অনুমতি নেই।’
২০১৩ সালের একটি বিধিমালায় বলা হয়েছিল, সদ্য জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের অবস্থান হবে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত সর্বশেষ ব্যক্তির নিচে। একদল শিক্ষকের রিট আবেদনে হাইকোর্ট তাদের রায়ে বিধিমালার ওই ধারা অবৈধ ঘোষণা করেছিল। ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগ আটকে যায়।
এই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল গ্রহণ করে হাইকোর্টের ওই রায়কে বালিত করে দিয়েছে আপিল বিভাগ। ফলে ২০১৩ সালের বিধিমালার ওই ধারা বহাল থাকছে। আর সাড়ে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগে আর আইনি কোনো বাধা থাকছে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন