প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ভোরের সময় মাত্র পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে তিনটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, যা প্রায় ৩০০ মিটার দূরত্বের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বিস্ফোরণের পরপরই ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান শোনা গেছে। যদিও এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের গোপাল চরণ গ্রামে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের মতে, বিকট শব্দে আশপাশের বাসিন্দাদের ঘুম ভেঙে যায়। পরে তারা বাইরে এসে তিনটি পৃথক স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের আলামত দেখতে পান। প্রথম বিস্ফোরণটি ঘটে স্থানীয় জামায়াত নেতা প্রফেসর মো. আবু সোলায়মান সরকারের বাড়ির প্রধান ফটকের সামনে, যা ঘটে ভোর ৪টা ২৬ মিনিটে। এর দুই মিনিট পর ৪টা ২৮ মিনিটে গোপাল চরণ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এবং ৪টা ৩০ মিনিটে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রেজার বাড়ির পাশের সড়কে আরও দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়।
গোপাল চরণ বড়বাড়ি জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মো. আতাউর রহমান জানান, ফজরের নামাজের জন্য ভোরে মসজিদে এসে তিনি বিস্ফোরণের বিষয়টি শোনেন। নামাজ শেষে ঘটনাস্থলগুলোতে গিয়ে বিস্ফোরিত ককটেলের আলামত পড়ে থাকতে দেখেন।
সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও জামায়াত নেতা প্রফেসর মো. আবু সোলায়মান সরকার সাজা ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, বিকট শব্দ শুনে বাইরে এসে দেখি আমার বাসার বাউন্ডারি দেয়াল ঘেঁষে ককটেলের তাজা আলামত পড়ে আছে। বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গেই ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়। এতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের সঙ্গে জড়িতরাই পরিকল্পিতভাবে এলাকায় ভীতি ছড়াতে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে বিস্ফোরণের বিভিন্ন আলামত জব্দ করেছে। কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন