প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি দক্ষ কর্মীদের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিসা ‘এইচ-১ বি’ বন্ধ রাখার উদ্যোগ নিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এই ‘এইচ-১ বি’ ভিসা কর্মসূচি অন্তত তিন বছরের জন্য স্থগিত করা এবং এর নিয়ম আরও কঠোর করার প্রস্তাব দিয়ে সিনেটে একটি বিল উত্থাপন করেছেন রিপাবলিকান সিনেটর টিম শিহি। যদি এই বিল পাস হয়, তাহলে বিদেশি কর্মী নিয়োগ, গ্রিন কার্ডের সুযোগ এবং পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে নেবার ক্ষেত্রেও বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি দক্ষ কর্মীদের জন্য এটি বড় ধাক্কার এক ইঙ্গিত। সবচেয়ে জনপ্রিয় ‘এইচ-১ বি’ ক্যাটাগরির ভিসা কর্মসূচিতে বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সমর্থনে রিপাবলিকান সিনেটর টিম শিহি সিনেটে ‘এন্ড এইচ-১বি অ্যাবিউজ অ্যাক্ট’ শীর্ষক একটি বিল উত্থাপন করেছেন।
প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী তিন বছরের জন্য নতুন কোনো এইচ-১ বি ভিসা ইস্যু করা হবে না। এই সময়কালীন পুরো কর্মসূচিটি পুনর্মূল্যায়ন করার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে আরও কঠোর শর্তে ভিসা চালু করা হয়।
বিলটির সমর্থকরা দাবি করেছেন যে, এইচ-১ বি কর্মসূচিটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষ কর্মীর ঘাটতি পূরণের জন্য চালু হলেও অনেক প্রতিষ্ঠান কম খরচে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করতে গিয়ে মার্কিন নাগরিকদের চাকরির সুযোগ সীমিত করে দিচ্ছে। সিনেটর টিম শিহির ভাষায়, এই কর্মসূচির অপব্যবহার বন্ধ করে মার্কিন কর্মীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া নতুন আইনের উদ্দেশ্য।
প্রস্তাবিত বিলে ট্রাম্প প্রশাসনের আগে ঘোষিত প্রতিটি এইচ-১ বি আবেদনের জন্য এক লাখ ডলার ফি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবও স্থান পেয়েছে। পাশাপাশি বর্তমানে সময়ে চলমান লটারি পদ্ধতি বাতিল করে বর্তমান বেতনভিত্তিক নির্বাচন পদ্ধতি চালুর প্রস্তাব রয়েছে।
এছাড়া তৃতীয় পক্ষের স্টাফিং এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগ, একাধিক প্রতিষ্ঠানে একসঙ্গে কাজের সুযোগ এবং এইচ-১ বি ভিসাধারীদের গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করার সুবিধা সীমিত বা বাতিল করা হতে পারে। পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে আনার সুযোগও বন্ধ হতে পারে।
শুধু কর্মী ভিসা নয়, বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্যও কঠোর অবস্থান নেয়া হয়েছে এই বিলে। অপশনাল প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিং বা ওপিটি কর্মসূচি বাতিল এবং নির্দিষ্ট এক্সচেঞ্জ ভিসাধারীদের কাজের অনুমতি প্রত্যাহারের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ফেডারেল সরকারি সংস্থাগুলোতে অ-অভিবাসী ভিসাধারীদের নিয়োগে নিষেধাজ্ঞার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব পরিবর্তন কার্যকর হতে হলে এই বিলটি প্রথমে সিনেট, পরে প্রতিনিধি পরিষদে পাস হয়ে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর লাভ করতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন