প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মাত্র ৪৯ হাজার টাকা পাওনা চাওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে মুন্সীগঞ্জের আরিফ হোসেনকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে মামলার আরও এক আসামি রুবেল কাজী (৩১)-কে গ্রেফতার করেছে পিবিআই।
পিবিআই জানায়, শুক্রবার (২৪ জুলাই) ভোরে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার পূর্ব শীলমান্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে রুবেল কাজীকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নিহত আরিফ হোসেনের ছোট ভাই আকাশ বেপারী কসাইয়ের কাজ করতেন। সেই সূত্রে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বাসিন্দা নূর মোহাম্মদের কাছে তার প্রায় ৪৯ হাজার টাকা পাওনা ছিল। গত ১৩ জুন সকালে ওই টাকা চাইতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এ সময় নূর মোহাম্মদ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আরিফকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এর পরদিন ১৪ জুন ভোরে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের জসিম নগর এলাকার একটি অনাবাদি জমি থেকে আরিফ হোসেনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের মা ফরিদা বেগম বাদী হয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তভার পাওয়ার পর পিবিআই আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করে। একপর্যায়ে মামলার প্রধান আসামি নূর মোহাম্মদকে গ্রেফতার করা হয়। পরে আদালতে দেওয়া তার ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে দাবি করা হয়, রুবেল কাজীসহ ছয়জন পরিকল্পিতভাবে আরিফকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে মরদেহ ফেলে রেখে যায়।
পিবিআই জানায়, নূর মোহাম্মদের দেওয়া জবানবন্দি এবং অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে রুবেল কাজীর অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের ভূমিকা এবং ঘটনার পূর্ণ রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন