প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশের সকল উপজেলা ভূমি অফিস ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বায়োমেট্রিক ডিজিটাল হাজিরা ডিভাইস স্থাপনের নির্দেশনা দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।
এ বিষয়ে দেশের সব জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোতে অবিলম্বে বায়োমেট্রিক ডিজিটাল হাজিরা ডিভাইস স্থাপন করতে হবে এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিতভাবে এটি ব্যবহারের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখা থেকে গত ১৪ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত চিঠিটি জারি করা হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি অফিসে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য সরকার ই-গভর্ন্যান্স চালুর উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। মাঠ পর্যায়ে ভূমি ব্যবস্থাপনাকে গতিশীল, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক করার পাশাপাশি জনসাধারণ যাতে নির্বিঘ্নে ও যথাসময়ে ভূমি সেবা পায়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থলে নিয়মিত ও সময়মতো উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি।
এই প্রেক্ষাপটে, মাঠ পর্যায়ে ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক করতে দেশের সব উপজেলা ভূমি অফিস ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে অবিলম্বে বায়োমেট্রিক ডিজিটাল হাজিরা ডিভাইস স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে, স্থাপিত ডিভাইসগুলো সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিয়মিত ব্যবহার করছেন কি না, তা নিশ্চিত করার জন্য জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
এর আগে, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শনের সময় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুপস্থিতি এবং হাজিরা খাতায় আগাম স্বাক্ষরের ঘটনায় জেলা প্রশাসন দুই সহকারী কমিশনার (ভূমি)সহ ২০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা প্রশাসনের রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জাকিয়া সরওয়ার লিমা। তিনি জানান, সদর উপজেলা ভূমি অফিসের ১০ জন, সিদ্ধিরগঞ্জ রাজস্ব সার্কেলের ৬ জন এবং ফতুল্লা রাজস্ব সার্কেলের দুজনকে শোকজ করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের দেওয়া নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, সোমবার সকালে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন সদর উপজেলা ভূমি অফিস পরিদর্শনে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনেককেই কর্মস্থলে পাননি। তবে তাদের মধ্যে কয়েকজন ৩১ আগস্টের হাজিরা খাতায় আগের দিনই স্বাক্ষর করে রেখেছেন।
এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে সরকারি কর্মচারীর জন্য গর্হিত অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে নোটিশে বলা হয়েছে, এটি সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর আওতাধীন অপরাধ। পাশাপাশি যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা বা বিলম্বে অফিসে উপস্থিত হওয়াকে সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯-এর লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন