প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ফ্রান্স এবং স্পেনের মধ্যে দাবানল এখন জরুরি পরিস্থিতিতে পৌঁছে গেছে। এই ঘটনায় বর্তমানে তিন লাখেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরাতে হয়েছে। প্রবল বাতাস এবং তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দারুণ হিমশিম খাচ্ছেন।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্রান্সের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে দাবানল দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। প্রবল বাতাসের কারণে আগুন বোর্দো শহরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। স্থানীয় এক কর্মকর্তা মন্তব্য করেছেন, 'আগুন এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি, নিয়ন্ত্রণে আরও অনেক সময়ের প্রয়োজন।'
এদিকে, দাবানলের কারণে স্পেনে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। তবে, মাদ্রিদের উপকাষ্ঠে আবহাওয়ার কিছুটা উন্নতি হওয়ায় দমকলকর্মীরা সেখানে আগুন নিয়ন্ত্রণে কিছু সুবিধা পাচ্ছেন। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ সতর্ক করে বলেছেন, 'সামনে আরও কঠিন সময় অপেক্ষা করছে।'
স্পেনের ভ্যালেন্সিয়া অঞ্চলে দাবানলের কারণে একজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ওই ব্যক্তিকে মানিসেস এলাকার সাল্ট দে ল'আইগুয়া গিরিখাতে তার গাড়ির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, যিনি বয়সে ৭০ বছর ছিল।
বিবিসি জানাচ্ছে, ফ্রান্সে শনিবার রাতে আরও ৫৫ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জিরোন্দ ও লঁদ এলাকায় সরানো মানুষের সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখে পৌঁছেছে।
দমকল বিভাগের ক্যাপ্টেন নিকোলা ব্রাজ এএফপিকে জানিয়েছেন, আগুন এতটাই ভয়াবহ যে এটি নিজস্ব বাতাস এবং ঘূর্ণি তৈরি করছে। ফলে, আগুনের গতিপথ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে এবং নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে গেছে। তিনি মন্তব্য করেছেন, সামনে আরও একটি কঠিন রাত অপেক্ষা করছে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ফ্রান্স সরকার সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে। আগুনের বিস্তার ঠেকাতে ঝোপঝাড় পরিষ্কার এবং ফায়ারব্রেক তৈরির কাজে সেনাসদস্যরা দমকলকর্মীদের সহায়তা করছেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে বলেছেন, 'আমরা সবকিছু পুনর্গঠন করব এবং যতদিন প্রয়োজন, সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকবে।'
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন