প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বাংলাদেশের সীমান্তের নিকটে অবস্থিত মিয়ানমারের সংঘাতপ্রবণ রাখাইন রাজ্যের কিয়াউকতাও শহরের একটি বাজারের কাছাকাছি সেনাবাহিনীর বিমান হামলায় অন্তত ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ হামলায় আরও ৩৬ জন আহত হয়েছেন।
মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইরত সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ) এবং স্থানীয় একটি ত্রাণ সংস্থা সোমবারের (২৮ সেপ্টেম্বর) হামলার খবর জানিয়েছে। স্থানীয় ত্রাণকর্মী ওয়াই হুন অংও হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন।
আরাকান আর্মির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সোমবার কিয়াউকতাও শহরে বিমান হামলা চালানো হয়।
ওয়াই হুন অং জানান, তার দল ওই এলাকায় ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। হামলার স্থানটি মূল সংঘাত এলাকা থেকে অনেক দূরে ছিল এবং চলমান সংঘাতের সঙ্গে ওই এলাকার কোনো সম্পর্ক ছিল না।
২০২১ সালে অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করার পর থেকেই মিয়ানমারে সশস্ত্র সংঘাত চলছে। এরপর থেকে আরাকান আর্মিসহ বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছে।
তবে বিমান হামলার বিষয়ে আরাকান আর্মি ও স্থানীয় ত্রাণকর্মীর দেওয়া তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি রয়টার্স। এ বিষয়ে মিয়ানমার সরকারের একজন মুখপাত্রের মন্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। দেশটির সরকার পূর্বে দাবি করেছে, বেসামরিক মানুষের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করে।
আরাকান আর্মি ও ওয়াই হুন অংয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, রাখাইনে সাম্প্রতিক সময়ের প্রাণঘাতী বিমান হামলাগুলোর মধ্যে কিয়াউকতাওয়ের হামলাটি অন্যতম। এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে পশ্চিম রাখাইনের একটি হাসপাতালে বিমান হামলায় অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছিলেন। সূত্র: রয়টার্স
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন