প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
জলবায়ু পরিবর্তনের এবং এল-নিনোর কারণে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান পথ পানামা খাল তীব্র খরার সম্মুখীন হয়েছে। কৃত্রিম জলাধারে পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ার কারণে, পানামা খাল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে সেপ্টেম্বর মাস থেকে এই খালে প্রতিদিন জাহাজ চলাচলের সংখ্যা সীমিত করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) কর্তৃপক্ষ এক প্রশাসনিক ঘোষণায় জানিয়েছে যে, পানামা খালের পানির স্তর সংরক্ষণে নির্দিষ্ট সংখ্যক নৌযানকে প্রতিদিন এই সরু জলপথ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে।
ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৪ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩৪টি জাহাজকে খাল অতিক্রম করার সুযোগ দেওয়া হবে। তারপর, ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে এটি আরও কমিয়ে দৈনিক ৩২টি জাহাজের সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে। স্বাভাবিক সময়ে, এই জলপথ দিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪০টি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করে থাকে।
পানামা খাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, দীর্ঘস্থায়ী অনাবৃষ্টি ও এল-নিনোর কারণে খালের পানির অন্যতম প্রধান উৎস কৃত্রিম গাতুন লেকের পানির উচ্চতা আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। পানি কমে যাওয়ার কারণে বড় আকারের পণ্যবাহী জাহাজগুলোর ড্রাফট জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে, যা নৌচলাচলের স্বাভাবিক সুরক্ষাকে বিঘ্নিত করছে।
বিশ্বের মোট সামুদ্রিক বাণিজ্যের প্রায় ৫ শতাংশ পানামা খালের ওপর নির্ভরশীল। ফলে, হঠাৎ এই বিধিনিষেধ আরোপিত হওয়ার কারণে আন্তর্জাতিক সাপ্লাই চেইনে নতুন করে জটলা তৈরি হতে পারে এবং পণ্য পরিবহণের ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
এর আগেও ২০২৩ সালেও চরম খরা ও পানি সংকটের কারণে খালটিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক ক্ষমতার চেয়ে প্রায় ৩৬ শতাংশ সংকুচিত হয়েছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন