প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
নিউইয়র্কে এলে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা নেই বলার মাধ্যমে স্বীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি। তবে তিনি নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন। সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওবার্তায় মামদানি জানান, তার প্রশাসন আইনগত সমস্ত দিক পর্যালোচনা করেছে। কিন্তু নিউইয়র্ক সিটির পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত কর্তৃক জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার জন্য স্বাধীন আইনি ক্ষমতা নেই।
তিনি আরও বলেন, "আমরা আইনগত সব পথ পর্যালোচনা করেছি। কিন্তু নিউইয়র্ক সিটির পক্ষে এই পরোয়ানা কার্যকর করা সম্ভব নয়।"
তবে মামদানি যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি আহ্বান করে বলেন, তারা যেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করে। একই সঙ্গে, তিনি নেতানিয়াহুকে যুদ্ধাপরাধী ও ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে ভয়াবহ গণহত্যার পরিকল্পনাকারী হিসেবে উল্লেখ করেন।
মামদানি গত বছরের মেয়র নির্বাচনের প্রচারণায় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে এলে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করবেন। সাম্প্রতিক সময়ে, তিনি আরও জানান, যদি নেতানিয়াহু জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্কে আসেন, সেক্ষেত্রেও স্থানীয় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এই বিষয়ে জাতিসংঘে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন মামদানের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লেখেন, "জোহরান মামদানি, এবার থামুন। আপনাকে নিউইয়র্কবাসীর সেবা করার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে, কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রচারণা চালানোর জন্য নয়।"
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে কোনোভাবেই নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করা হবে না।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সদস্য নয় এবং আদালতের এখতিয়ার স্বীকৃতি দেয় না।
এছাড়া, ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধ চলাকালে সংঘটিত কথিত যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। একই সময়ে হামাসের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধেও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়।
তবে ইসরায়েল শুরু থেকেই এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে এবং দেশটির দাবি, গাজায় সামরিক অভিযান পরিচালনার সময় বেসামরিক মানুষের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে, এবং হামাস ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবস্থান নেওয়ার জন্য দায়ী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন