প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ এল নিনোর কারণে সৃষ্ট প্রাকৃতিক পরিস্থিতির ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। শনিবার এই ঘোষণা তিনি দেন।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
বিশ্বজুড়ে এল নিনোর প্রভাবে আবহাওয়ার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটছে। বলিভিয়ায় এর ফলে কিছু অঞ্চলে বন্যা এবং অন্যদিকে খরা দেখা দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট জানান, জরুরি অবস্থার ঘোষণার উদ্দেশ্য হলো প্রয়োজনীয় অর্থ ও অন্যান্য সম্পদ দ্রুত ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করা।
জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে পাজ উল্লেখ করেন, জরুরি অবস্থার ঘোষণার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধারকারী দলগুলোকে আরও বেশি সংখ্যায় মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এল নিনোর প্রভাবে খরা ও বন্যার মতো পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। এ সংকট মোকাবিলায় সব সরকারি ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা প্রয়োজন।’
চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত সরকারের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বলিভিয়ার ৯টি প্রশাসনিক বিভাগের মধ্যে ৬টিতে খরার কারণে প্রায় ৭৮ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া, খরার ফলে ৭৫ হাজারের বেশি গবাদিপশু মারা গেছে।
এল নিনো একটি প্রাকৃতিক আবহাওয়াজনিত ঘটনা। এ সময় প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চলের মধ্য ও পূর্ব অংশের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। এর ফলে বিশ্বজুড়ে বায়ুপ্রবাহ, বায়ুচাপ ও বৃষ্টিপাতের স্বাভাবিক ধরনে পরিবর্তন ঘটে।
জাতিসংঘ চলতি সপ্তাহে সতর্ক করে বলেছে, বর্তমান এল নিনো পরিস্থিতি অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। এর ফলে লাতিন আমেরিকা, পূর্ব ও দক্ষিণ আফ্রিকা, এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ব্যাপক দুর্যোগ দেখা দিতে পারে।
বলিভিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যেও এল নিনোর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। পেরুতে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি দাবানলের ঘটনা ঘটেছে। এসব দাবানলে এরই মধ্যে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
অন্যদিকে, প্রতিবেশী চিলির রাজধানী সান্তিয়াগোতে চলতি বছরের অক্টোবর মাসে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। এটি দেশটির আবহাওয়ার ইতিহাসে ছিল সবচেয়ে বৃষ্টিবহুল অক্টোবর।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন