প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ১২ দিন ধরে মাদকের বিরুদ্ধে একটি ব্যাপক অভিযান চলছে। এই অভিযানের মধ্যে একাধিক কৌশলধারী মাদককারবারি পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে। ফতুল্লার কেতাবনগর এলাকার এক দুর্ধর্ষ মাদককারবারি উৎসরের মাদক বিক্রির কৌশল দেখে পুলিশ চমকে গেছে।
একটি নির্মাণাধীন ভবনের একপাশে ক্রেতারা সিরিয়াল ধরে ইটের ফাঁক দিয়ে টাকা প্রদান করছেন। অপর পাশ থেকে কে টাকা গ্রহণ করছে, সেটি ক্রেতাদের দেখা যায় না। তবে চাহিদা অনুযায়ী মাদক প্লাস্টিকের বোতলে ভরে সুতলি দিয়ে উপর থেকে নিচে ক্রেতার হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়। এরপর ক্রেতারা দ্রুত ওই এলাকা ত্যাগ করেন।
পুলিশ জানায়, মাদককারবারি উৎস তার স্পটের চারপাশে লোকজন ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখেন। পুলিশ বা সাংবাদিক দেখলেই সংকেত দিয়ে সবাইকে সতর্ক করা হয়। ফলে মাদক স্পটের সবাই মুহূর্তের মধ্যে আত্মগোপন করে। সোর্সদের এমন তথ্যের ভিত্তিতে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব আলমের নেতৃত্বে পুলিশের একাধিক টিম সোমবার বিকালে মাদককারবারি উৎসরের স্পটে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে উৎস ও তার লোকজন আত্মগোপন করেন। তবে পুলিশ ওই স্পটে কাউকে পায়নি। কিন্তু তাদের মাদক বিক্রির কৌশল সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব আলম জানান, জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জের প্রতিটি থানা এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চলছে। ফতুল্লায় গত ১২ দিনে অন্তত ২শ মাদককারবারি ও সেবনকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কিছু কৌশলধারী মাদককারবারি পুলিশকে অবাক করেছে। এর মধ্যে উৎস নামে একজন মাদককারবারির স্পটে গিয়ে পুলিশ দেখতে পায় ক্রেতারা বিশ্বাস করে ইটের ফাঁক দিয়ে টাকা দিচ্ছেন এবং উপর থেকে প্লাস্টিকের বোতলে সুতলি বেঁধে মাদক তাদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। কে টাকা নিচ্ছে এবং কে মাদক নিচে ফেলছে, কাউকেই দেখা যায় না। এটি সত্যিই অবাক করার মতো। এসব কৌশলধারী মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে পুলিশও কৌশল নিয়েছে। খুব শিগগিরই ফতুল্লাকে মাদকমুক্ত করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন