প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
২০১০ সালে পুরো বিশ্বকে চমকে দিয়ে বিশ্বকাপ জিতেছিল স্পেন। এটি ছিল তাদের প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয়। এরপর থেকে পরবর্তী তিনটি আসরে তাদের আর তেমনভাবে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবার একবার বিশ্বকাপের ফাইনালে পদার্পণ করেছে দে লা ফুয়েন্তের দল।
ডালাস স্টেডিয়ামে ফর্মের তুঙ্গে থাকা ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে স্পেন ফাইনালে পৌঁছে গেছে। এবারের বিশ্বকাপে ফ্রান্স যেন একরকম অপ্রতিরোধ্য দল হয়ে উঠেছিল। এক সময় মনে হচ্ছিল, এই ফ্রান্সকে আটকানোর কোনো উপায় নেই। তবে স্পেনের সেমিফাইনালে মাঠে নামার আগে প্রশ্ন উঠেছিল, এমবাপ্পে-দেম্বেলে-ওলিসেদের আটকানোর ক্ষমতা কি আছে স্প্যানিশদের? কিন্তু কোচ দে লা ফুয়েন্তে যেন পুরো হিসাব পাল্টে দিতে সক্ষম হন। তার মাস্টারমাইন্ডের বিরুদ্ধে দিদিয়ের দেশমের ট্যাকটিস কার্যকরী হয়নি। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলে ফ্রান্সকে পরাজিত করে ফাইনালে চলে যায় স্পেন।
ম্যাচ শুরু থেকেই দখলে ছিল স্পেন। টুর্নামেন্টের পূর্ববর্তী ছয় ম্যাচে ১৬ গোল করা ফ্রান্সকে এইদিন স্প্যানিশ রক্ষণ খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতে দেয়নি। ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেয়া এবং গোলরক্ষক উনাই সিমনের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে বারবার ব্যর্থ হন কিলিয়ান এমবাপ্পে।
২০তম মিনিটে লামিন ইয়ামাল ফাউলের শিকার হন। এর ফলে পেনাল্টি পায় স্পেন। ২২ মিনিটে সফল স্পট কিক থেকে মিকেল ওইয়ারসাবাল গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। গোল হজম করার পরে ইনজুরি নিয়ে মাঠ থেকে উঠে যান সেন্টারব্যাক উইলিয়াম সালিবা। তার অভাবে ফ্রান্স আরও চাপের মধ্যে পড়ে।
বিরতির আগে স্পেন কিছু ভালো আক্রমণ গড়লেও ব্যবধান আর বাড়াতে পারেনি। অন্যদিকে ফ্রান্সও সমতায় ফিরতে পারেনি। ফলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করে লা রোজা।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫৮তম মিনিটে দানি ওলমো ও পেদ্রো পোরোর দারুণ বোঝাপড়ার ফলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে স্পেন। তিন মিনিট পরে ইয়ামাল গোল করলেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।
শেষদিকে স্পেনের ডেরায় ফ্রান্স একের পর এক আক্রমণ করে। তবে তাদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ান গোলকিপার উনাই সিমন। কিন্তু ৮২ মিনিটে ভুল করে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে বক্সের বাইরে চলে আসেন তিনি। সেই সময়ে দুয়ের শট বক্সের মধ্যে ব্লক করেন সিমন। পরের মিনিটে হার্নান্দেজকেও ঠেকিয়ে দেন এই গোলরক্ষক।
সর্বশেষে নিজেদের জাল অপরিবর্তিত রেখে ২-০ গোলের জয় নিয়ে ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠলো স্পেন।
আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্ক–নিউজার্সিতে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল। সেখানে স্পেনের প্রতিপক্ষ হবে ইংল্যান্ড অথবা আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে ১৮ জুলাই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে میدانে নামবে ফ্রান্স।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন