প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
দীর্ঘ দুই দশক পর চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পুরোনো ও বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থ অপসারণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে ধ্বংসের জন্য ৯টি কনটেইনার নারায়ণগঞ্জে নেওয়া হচ্ছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দরের এইট বি ইয়ার্ড থেকে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থায় রাসায়নিক বহনকারী গাড়িগুলো নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অবস্থিত ওয়াটা কেমিক্যালসের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।
প্রথম ধাপে সরিয়ে নেয়া ৯টি কনটেইনারের মধ্যে রয়েছে কের সালফিউরিক অ্যাসিড ও নাইট্রিক অ্যাসিডের ১টি কনটেইনার, মিথানলের ৫টি কনটেইনার এবং থিনারের ২টি কনটেইনার। এসব বিপজ্জনক রাসায়নিক ধ্বংসের উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে নারায়ণগঞ্জে স্থানান্তর করা হচ্ছে।
আমদানির পর বিভিন্ন কারণে এসব রাসায়নিক বন্দর থেকে খালাস নেয়া হয়নি। মামলার জটিলতা এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। ফলে বিপজ্জনক রাসায়নিক ভর্তি কনটেইনারগুলো দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম বন্দরে পড়ে ছিল।
বন্দর সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন আটকে থাকা মোট ২৯টি কনটেইনারে প্রায় ৮১ টন রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে। এসব রাসায়নিক বন্দরের নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে উঠেছে। বিষয়টির সমাধানে সরকারের বিভিন্ন মহল থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে প্রথম ধাপে ৯টি কনটেইনার চট্টগ্রাম বন্দর থেকে অপসারণ করে নারায়ণগঞ্জে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থায় রাসায়নিক বহনকারী গাড়িগুলো বন্দরের এইট বি ইয়ার্ড থেকে রূপগঞ্জের ওয়াটা কেমিক্যালসের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছে।
পর্যায়ক্রমে বাকি কনটেইনারগুলো সরানো হবে। প্রথম ধাপে ৯টি কনটেইনার অপসারণের পর বন্দরের এলাকায় অবস্থিত অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিকও পর্যায়ক্রমে সরানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মোট ২৯টি কনটেইনারের অবশিষ্ট কনটেইনারগুলোও নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় অপসারণ করা হবে। দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা এসব রাসায়নিক অপসারণের ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ডে ঝুঁকিপূর্ণ পণ্য সংরক্ষণের চাপ কমবে। একই সঙ্গে বন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনাও আরও কার্যকর হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন