প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
প্রায় ১০ ঘণ্টা অপেক্ষার পর আন্দোলন স্থগিত করে রাজপথ ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। এই অবস্থাতেও শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিতে তারা এখনও অনড় রয়েছেন। রাতেই এই বিষয়টি সম্পর্কে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করার কথা জানিয়েছেন তারা।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে আন্দোলনকারীরা এই তথ্য জানান। এরপর তারা সেখান থেকে সরে গেলে ওই অঞ্চলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায়।
এর আগে, বেলা পৌনে ১২টার সময়ে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড়ে সমাবেশ করে শিক্ষার্থীরা তাদের তিন দফা দাবি সামনে নিয়ে আসেন। সেখান থেকে তারা মিছিল করে জাতীয় সংসদ ভবনের দিকে গমন করেন। পরে সংসদ ভবনের সামনে গিয়ে অবরোধ শুরু করলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
অবরোধ চলাকালীন পুলিশ শিক্ষার্থীদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু তারা অবস্থান চালিয়ে যাওয়ার ফলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয় এবং পুলিশের লাঠিচার্জে কিছু শিক্ষার্থী আহত হওয়ার অভিযোগ ওঠে।
পুলিশ পরে সংসদ ভবনের সামনে থেকে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দিলে তারা আসাদগেটের আড়ং মোড় এলাকায় অবস্থান নেন। এ সময় উত্তেজিত কয়েকজন শিক্ষার্থী পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পুলিশ তখন আবারও ধাওয়া দিয়ে তাদের মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে সরিয়ে দেয় এবং আসাদগেট মোড়ে অবস্থান নেয়।
আন্দোলন থামেনি এবং রাত পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা তাদের অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যেতে থাকেন। তারা বিভিন্ন দাবির পক্ষে স্লোগান দিতে থাকেন। আন্দোলনকারীরা জানান, দুর্যোগ পরিস্থিতি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত রাখতে, ১৩ জুলাই বৈরী আবহাওয়ার কারণে পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করতে এবং শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।
এদিকে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে একজন আন্দোলন স্থগিত করার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলমান থাকবে। কিন্তু আজকের আন্দোলন এখানেই স্থগিত করা হলো।
আগামীকালের কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি বলেন, রাতে আমরা সিদ্ধান্ত নেব এবং এরপর জানিয়ে দেবো আগামীকালের কর্মসূচি। হয়তো সংসদ ভবনে অথবা শিক্ষাভবন অভিমুখে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন