প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
আজ ৩০/০৭/২০২৬ খ্রি. তারিখে নরসিংদী জেলার সি অ্যান্ড বি মোড় সংলগ্ন যমুনা প্রাইভেট হাসপাতাল-এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।
পরিদর্শনকালে হাসপাতালটিতে বিভিন্ন ধরনের গুরুতর অনিয়ম ও অসংগতি পরিলক্ষিত হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল —
মেডিকেল অফিসারদের কোনো ডিউটি রোস্টার পাওয়া যায়নি। পরিদর্শনের সময় সেখানে কোনও ল্যাব টেকনোলজিস্ট উপস্থিত ছিলেন না। তাদের ছুটির কোনো বৈধ কাগজপত্র বা পেশাগত সনদপত্র প্রদর্শন করা হয়নি, অথচ এ সময়েও ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ কার্যক্রম চলমান ছিল।
আল্ট্রাসাউন্ড কক্ষের সামনে গর্ভস্থ সন্তানের লিঙ্গ প্রকাশ নিষিদ্ধ সংক্রান্ত বিজ্ঞ হাইকোর্টের নির্দেশনা প্রদর্শিত ছিল না। অপারেশন থিয়েটারে অটোক্লাভ করা অস্ত্রোপচারের সরঞ্জাম খোলা অবস্থায় পাওয়া যায়।
এক্স-রে কক্ষে প্রয়োজনীয় বিকিরণ প্রতিরোধী লিড সুরক্ষা ব্যবস্থা ছিল না এবং বাংলাদেশ আণবিক শক্তি কমিশনের অনুমোদন ছাড়াই এক্স-রে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল।
এনভিডি কক্ষের আকার অত্যন্ত ছোট এবং রোগীসেবার জন্য অনুপযুক্ত, ল্যাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না। ল্যাবের রেফ্রিজারেটরে রি-এজেন্টের সঙ্গে অন্যান্য ওষুধ সংরক্ষণ করা হচ্ছিল, যা বিধিবহির্ভূত ছিল।
ল্যাবের নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে লবণ, হলুদ, মরিচের গুঁড়া, তেলের কৌটাসহ গৃহস্থালি সামগ্রী পাওয়া যায়, যা স্বাস্থ্যবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
উপরোক্ত অনিয়মসমূহের প্রেক্ষিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা অর্থদণ্ড আরোপ ও আদায় করা হয়। একই সঙ্গে অনুমোদনবিহীন এক্স-রে কক্ষটি সিলগালা করে সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়।
এছাড়া হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়মের পুনরাবৃত্তি হলে আরও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সতর্ক করা হয়।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন সিভিল সার্জনের কার্যালয়, নরসিংদী-এর প্রতিনিধি ডা. মুন্নী সাহা।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনায়: সাদিয়া চৌধুরী, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, নরসিংদী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন