প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
রাজশাহী, ২৬ জুলাই, ২০২৬ : রাজশাহী মহানগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, অপরাধ দমন, যানবাহন চলাচল পর্যবেক্ষণ এবং ডিজিটালি সিকিউরড সিটি গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশকে (আরএমপি) মোট ১৫৫টি অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরা হস্তান্তর করা হয়েছে।
আজ (রোববার) দুপুরে আরএমপি কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবিরের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সিসি ক্যামেরাগুলো তুলে দেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।
অনুষ্ঠানে মাহফুজুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুশাসন বাস্তবায়ন ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। জনগণের চাহিদার ভিত্তিতে আমাদের কাজ করতে হবে। নগরবাসীর নিরাপত্তার জন্য অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরা প্রদান করা হলো। আমরা সম্মিলিতভাবে নিরাপদ ও শান্তির মহানগরী গড়তে কাজ করে যাব। সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে আরএমপিকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান অব্যাহত থাকবে।
আরএমপি কমিশনার ফয়েজুল কবির বলেন, নাগরিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের দেওয়া অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরাগুলো পুলিশের প্রিভেন্টিভ ও ডিটেকটিভ কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। নতুন করে ১৫৫টি স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে রাজশাহী নগরী আরও নিরাপদ হবে এবং যানজট মুক্ত করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আহমদ আল মঈন পরাগ, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল আলম এবং নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) এবিএম আসাদুজ্জামান সুইট উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, উপ-পুলিশ কমিশনার (মতিহার) মাইনুল ইসলাম, বিশেষ পুলিশ সুপার (সিটিএসবি) মো. আবুল কালাম সাহিদও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন এই সিসি ক্যামেরাগুলো রাজশাহী মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড় ও জনসমাগমস্থলে স্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি বৃদ্ধি, অপরাধ প্রতিরোধ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন