প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
পাবনার চাটমোহরে ককটেল বিস্ফোরণ, সরকারবিরোধী স্লোগান এবং নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের ৩১ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলায় এ ৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) চাটমোহর থানায় মামলাটি দায়ের করেন মূলগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক পূর্বটিয়ারতলা গ্রামের মৃত মিয়াজান সরকারের ছেলে মো. মজর আলী (৪৯)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে মূলগ্রামের কায়েমখোলা মোড়ে আতার আলীর চায়ের দোকানে বসে ছিলেন মজর আলী। এই সময় মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবাসযোগে একদল ব্যক্তি সেখানে এসে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানসহ সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এজাহারে আরো বলা হয়েছে, বাদী এবং তার সাথে থাকা ব্যক্তিরা অভিযুক্তদের শনাক্ত করার চেষ্টা করলে তাদের লক্ষ্য করে পরপর দুটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। এ বিস্ফোরণের ফলে তারা প্রাণনাশের আশঙ্কায় পড়েন এবং এই ঘটনার ফলে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণের শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা মোটরসাইকেল এবং মাইক্রোবাসযোগে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরবর্তীতে খবর পেয়ে চাটমোহর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ককটেলের বিস্ফোরিত অংশ, চারটি বাজারের ব্যাগে রাখা আনুমানিক ৮ থেকে ১০ কেজি ইটের খোয়া এবং ১০ থেকে ১২টি বাঁশের লাঠি জব্দ করে।
মামলায় বেজপাড়া গ্রামের হেলাল উদ্দিন, হরিপুর গ্রামের মকবুল হোসেন, নৈউতিগাছা গ্রামের সাহেব আলী মাস্টার, জগতলা গ্রামের শরিফুল্লাহ সাচ্চু, নারিকেলপাড়া গ্রামের ওয়াহেদুল ইসলাম বকুলসহ ৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, অজ্ঞাতনামা আরও কিছু ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
চাটমোহর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলিউল রহমান মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়ে দেন যে, আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান শুরু হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন