প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের তালিকায় যুক্ত হয়েছে বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি ও ধুনট। নতুন এ দুটি নদীবন্দর চালুর বিষয়ে সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে যমুনা নদীর তীরে।
গতকাল বুধবার নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে দুই নদীবন্দরের সীমানা নির্ধারণ করে দিয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সংখ্যা ৫৪টি। এ ছাড়া দেশে ছোট ও বড় অনেকগুলো নৌযান ঘাট রয়েছে, যেসব স্থানে পণ্য ও যাত্রী ওঠানামা করা হয়।
দেশের শেষ নদীবন্দর হিসেবে নোয়াখালীর হাতিয়ার নদীবন্দর যুক্ত হয়েছে। বগুড়ার নতুন দুই নদীবন্দর চালুর ফলে দেশে নদীবন্দরের সংখ্যা এখন ৫৬টি হয়ে দাঁড়াল।
নদীবন্দরের তালিকায় যুক্ত হওয়ার পর সারিয়াকান্দি নদীবন্দরের উত্তর সীমানা হবে সারিয়াকান্দি উপজেলার সদর ইউনিয়নের কালিতলা ঘাটের উত্তরে হাটশেরপুর ইউনিয়নের খুদ্দ বলাইল মৌজার দিঘাপাড়া ঘাট সংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত। এটি যমুনা নদীর পূর্ব পাড়ে সারিয়াকান্দি উপজেলার কাজলা ইউনিয়নের বেড়া পাঁচবাড়িয়া মৌজার জামথল ঘাট পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে উঠবে।
দক্ষিণ সীমানা হবে সারিয়াকান্দি উপজেলার কর্ণিবাড়ি ইউনিয়নের চরকুমারপাড়া মৌজায় মথুরাপাড়া ঘাট এবং যমুনা নদীর পূর্ব পাড়ে এই ইউনিয়নের নারাপালা মৌজার মূলবাড়ি পর্যন্ত।
ভূ-ভাগের সীমানা হবে বন্দর সীমানার আওতায় নদীর পূর্ব ও পশ্চিম তীরে সাধারণ ভরা কটালের (জোয়ার) সময় বন্দর এলাকায় সর্বোচ্চ পানি সমতল হতে ভূ-ভাগের দিকে ৫০ গজ পর্যন্ত বিস্তৃত।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সারিয়াকান্দি নদী বন্দর এলাকায় গেজেটভুক্ত সীমানার মধ্যে বিদ্যমান খাল এবং ঘাটসমূহ যেমন-দিঘাপাড়া ঘাট, কালিতলা ঘাট, মথুরাপাড়া ঘাট (দেবডাঙ্গা) ঘাট, জামথল ঘাট, শোনপচা ঘাট ইত্যাদি আওতাভুক্ত থাকবে।
সেই সঙ্গে নৌপথের উন্নয়ন, জেটি বা অবকাঠামো নির্মাণ ইত্যাদি যাত্রী সুবিধাদি প্রদানের সুবিধার্থে বন্দর সীমানার মধ্যে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান থাকলে তার কর্তৃত্ব বাতিল বলে গণ্য হবে।
ধুনট নদীবন্দরের উত্তর সীমানা হবে সারিয়াকান্দি উপজেলার কর্ণিবাড়ি ইউনিয়নের চরকুমারপাড়া মৌজায় মথুরাপাড়া ঘাটের (দেবডাঙ্গা) দক্ষিণ সীমানা পর্যন্ত।
এটি যমুনা নদীর পূর্ব পাড়ে সারিয়াকান্দি উপজেলার কর্ণিবাড়ি ইউনিয়নের নারাপালা মৌজার মূলবাড়ি পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। এই নদীবন্দরের দক্ষিণ সীমানা হবে সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলার ঢেকুরিয়া মৌজায় ঢেকুরিয়া হাটসংলগ্ন এলাকা।
এটি যমুনা নদীর পূর্ব পাড়ে বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের চৌবার মৌজার বৈশাখীর চর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে।
ধুনট নদীবন্দরের ভূ-ভাগের সীমানা হবে কন্দর সীমানার আওতায় নদীর পূর্ব ও পশ্চিম তীরে সাধারণ ভরা কটালের সময় বন্দর এলাকায় সর্বোচ্চ পানি সমতল হতে ভূ-ভাগের দিকে ৫০ গজ পর্যন্ত বিস্তৃত।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, একইভাবে ধুনট নদী বন্দর এলাকায় গেজেটভুক্ত সীমানার মধ্যে বিদ্যমান খাল এবং ঘাটসমূহ যেমন-চন্দনবাইশা, শহরাবাড়ি ঘাট ইত্যাদি আওতাভুক্ত থাকবে।
সেই সঙ্গে নৌপথের উন্নয়ন, জেটি বা অবকাঠামো নির্মাণ ইত্যাদি যাত্রী সুবিধাদি প্রদানের সুবিধার্থে কন্দর সীমানার মধ্যে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান থাকিলে তার কর্তৃত্ব বাতিল হবে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ-বিআইডব্লিউটিএকে দুই নদীবন্দরের সংরক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন