প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে খাল পুনঃখনন প্রকল্পের ফলে সাশ্রয় হওয়া ১ কোটি ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৪৯ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোমানা আফরোজ।
নির্ধারিত মান বজায় রেখে প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে, কিন্তু প্রাক্কলনের তুলনায় খরচ কম হওয়ায় অবশিষ্ট অর্থ সরকারি বিধি অনুসারে ট্রেজারিতে জমা দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানাচ্ছে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ‘অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি)’–এর আওতায় চরফ্যাশন উপজেলার সুবল ডাক্তার বাড়ি থেকে সুন্দরী ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় ৩ দশমিক ৭ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের জন্য ২ কোটি ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।
প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে গিয়ে নির্ধারিত কারিগরি মান ও সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করা হয়েছে। কিন্তু খালের বিভিন্ন অংশে প্রস্থ ও খননের গভীরতা প্রাক্কলনের চেয়ে কম হওয়ায় কাজটি বরাদ্দের পূর্ণ অর্থ ব্যয় না করেই সম্পন্ন হতে পারে। এর ফলে মোট ১ কোটি ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৪৯ টাকা সাশ্রয় হয়, যা সরকারি আর্থিক বিধিমালা অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
চরফ্যাশন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোমানা আফরোজ বলেন, দীর্ঘদিন অবহেলার কারণে খালটি ভরাট হয়ে কার্যত অকেজো হয়ে পড়েছিল। সরকার উদ্যোগ নিয়েছে খালটি পুনঃখননের জন্য, যা স্থানীয় মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে, পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং পরিবেশগত ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারি অর্থের স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবহারের অংশ হিসেবে সাশ্রয় হওয়া প্রতিটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। সরকারি অর্থের অপচয় রোধ এবং আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে উপজেলা প্রশাসন সবসময় দায়িত্বশীলভাবে কাজ করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন