প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের দৃষ্টিকোণ থেকে হরিতকি ভেজানো পানি একটি অত্যন্ত উপকারী পানীয় হিসেবে বিবেচিত হয়। নিয়মিতভাবে সকালে খালি পেটে হরিতকি ভেজানো বা হরিতকি গুড়া মিশ্রিত পানি পান করলে শরীরে বিভিন্ন ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়।
এক গ্লাস হরিতকি পানি খাওয়ার উপকারিতাগুলো নিম্নরূপ:
১। কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণ: এর মধ্যে থাকা হালকা রেচক গুণ পেটের মল পরিষ্কার করতে এবং অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সহায়ক।
২। ডিটক্সিফিকেশন: এটি লিভারের কার্যকারিতা বাড়িয়ে শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বা বর্জ্য অপসারণে সাহায্য করে।
৩। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি: সকালে খালি পেটে উষ্ণ পানিতে হরিতকি চূর্ণ গ্রহণ করলে শরীরের অভ্যন্তরীণ পরিষ্কার হয়, ফলে ব্রণ ও ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা কমে যায়।
৪। মেটাবলিজম ও ওজন নিয়ন্ত্রণ: এটি শরীরের বিপাকক্রিয়া বা ফ্যাট ঝরানোর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করে।
৫। ইমিউনিটি বৃদ্ধি: এতে বিদ্যমান ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৬। অন্যান্য: রক্তচাপ ও অন্ত্রের খিঁচুনি কমাতে কিছুটা ভূমিকা রাখে। গলা ব্যথা বা মুখ ফুলে গেলে হরিতকি ভেজানো গরম পানি দিয়ে কুলকুচি বা গার্গল করলে আরাম পাওয়া যায়।
কীভাবে তৈরি ও সেবন করবেন
* এক গ্লাস পানিতে ১-২টি শুকনা হরিতকি বা সামান্য হরিতকি গুঁড়া সারারাত ভিজিয়ে রাখুন।
* পরের দিন সকালে খালি পেটে এই পানি ছেঁকে পান করুন।
* এছাড়া আমলকি ও বহেরার সঙ্গে মিশিয়ে ত্রিফলা হিসেবেও এটি খাওয়া যায়।
কিছু সতর্কতা
* ডায়রিয়া বা পেটের সমস্যা: অতিরিক্ত বা নিয়ম মেনে না খেলে ডায়রিয়া, পেট ব্যথা বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে।
* গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান: গর্ভাবস্থায় বা মায়েরা বুকের দুধ খাওয়ালে কোনো আয়ুর্বেদ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া হরিতকি খাওয়া উচিত নয়।
* ডায়াবেটিসের ওষুধ: এটি রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয়, তাই ডায়াবেটিসের ওষুধ খেলে খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন