প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কার একটি খনিতে বুলডোজার ব্যবহার করে মাটি সরানোর সময় এক খনি শ্রমিক প্রায় ৯ কেজি ওজনের একটি বিশাল সোনার পিণ্ড আবিষ্কার করেন। পরবর্তীতে এটি আলাস্কায় পাওয়া সবচেয়ে বড় অক্ষত প্রাকৃতিক সোনার পিণ্ড হিসেবে চিহ্নিত হয়।
১৯৯৮ সালে আলাস্কার রুবি শহরের নিকটবর্তী সুইফট ক্রিক এলাকায় মাটি সরানোর কাজে নিয়োজিত ছিলেন খনি শ্রমিক ব্যারি ক্লে। কাজের এক পর্যায়ে বুলডোজারের সরানো মাটির স্তূপে তিনি একটি ভারী বস্তু দেখতে পান। প্রথমে সেটিকে সাধারণ পাথর মনে হলেও, পরে তিনি সেটিকে পরীক্ষা করেন।
পরিষ্কার করার পর ক্লে বুঝতে পারেন যে, এটি পাথর নয় বরং সোনা ও কোয়ার্টজের তৈরি একটি বিশাল প্রাকৃতিক পিণ্ড।
‘আলাস্কা সেন্টেনিয়াল নাগেট’ নামে পরিচিত এই সোনার পিণ্ডটির ওজন ২৯৪ দশমিক ১০ ট্রয় আউন্স, যা ২০ পাউন্ডের কিছু বেশি বা প্রায় ৯ দশমিক ১৪ কেজি। আকারে এটি একটি শিশুর মাথার সমান।
তৎকালীন হিসাবে, এটি পশ্চিম গোলার্ধে পাওয়া সোনার পিণ্ডগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম ছিল। এর চেয়ে বড় ছিল ১৯৮৯ সালে মেক্সিকোয় পাওয়া প্রায় ২৪ পাউন্ড ওজনের ‘বুট অব কর্টেজ’।
আলাস্কার ঐতিহাসিক ক্লনডাইক সোনার সন্ধানের ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে পিণ্ডটির নামকরণ করা হয় ‘আলাস্কা সেন্টেনিয়াল নাগেট’। পরে অঙ্গরাজ্যের কর্মকর্তারা এটিকে আলাস্কায় পাওয়া সবচেয়ে বড় অক্ষত সোনার পিণ্ড হিসেবে নিশ্চিত করেন।
আবিষ্কারের পরপরই ব্যারি ক্লে সোনার পিণ্ডটি বিক্রি করেননি। এটি দুই দশকেরও বেশি সময় ব্যক্তিগত মালিকানায় ছিল।
২০২১ সালে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা যায়, ক্লের কাছ থেকে পিণ্ডটি সংগ্রহ করা এক বিক্রেতা সেটি যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে হেরিটেজ নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করেন। অনলাইনে এক সংগ্রাহক ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলারে সোনার পিণ্ডটি কিনে নেন।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, পিণ্ডটির গুরুত্ব শুধুমাত্র এর বিপুল সোনার মূল্যে নয়, বরং এর বিরলতাতেও। এত বড় আকারের এবং ভালো অবস্থায় সংরক্ষিত প্রাকৃতিক সোনার পিণ্ড অত্যন্ত বিরল।
হেরিটেজের এক মুখপাত্র নিলামের আগে জানিয়েছিলেন, ‘আলাস্কা সেন্টেনিয়াল গোল্ড নাগেট’ অঙ্গরাজ্যটিতে পাওয়া সবচেয়ে বড় সোনার পিণ্ড। ১৯৯৮ সালে রুবির কাছে সুইফট ক্রিক এলাকায় এটি আবিষ্কার করেন ব্যারি ক্লে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন