প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে নেত্রকোনার কলমাকান্দার বিভিন্ন স্থানে সড়ক ধসে গেছে। এর ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে। সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ঘরবাড়ি, পুকুর এবং শাকসবজির ক্ষেত inundated (বন্যায় তলিয়ে) হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) বিকালে গজারমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনের একটি অংশ নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে পানির প্রবল স্রোতে।
পানির চাপে গজারমারী থেকে খারনৈ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার সড়কটির শ্রীপুর এলাকায় অন্তত পাঁচটি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। খারনৈ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওবায়দুর হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতি বর্ষা মৌসুমেই পাহাড়ি ঢলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়, তবে এবারের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অবশ্যই অনেক বেশি। তারা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কার, নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি সরকারি সহায়তার দাবি করেছেন।
খারনৈ ইউনিয়নের গজারমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। বিদ্যালয়টির একটি অফিস কক্ষ ও একটি শ্রেণিকক্ষ নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে। বিদ্যালয়ে যাতায়াতের সড়কও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দ্বীন ইসলাম জানান, পাহাড়ি ঢলের প্রচণ্ড স্রোতে মুহূর্তের মধ্যে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষ ও একটি শ্রেণিকক্ষ নদীতে তলিয়ে যায়। এর ফলে বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় নথিপত্র, আসবাবপত্র এবং শিক্ষা উপকরণের ক্ষতি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পাঠদান অব্যাহত রাখা এখন একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, উপজেলার প্রধান উব্দাখালী নদীর পানি কলমাকান্দা সদর ডাকবাংলা পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে সোমেশ্বরী, কংস, মগরা, ধনুসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি এখনও বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে নিম্নাঞ্চলে নতুন করে প্লাবিত ও নদীভাঙনের ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন