প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মাদারীপুরে অবস্থিত সেই অসহায় বৃদ্ধ হেমায়েত উল্লাহর পাশে দাঁড়িয়েছে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন।
মাদারীপুর শহরের পানিছত্র এলাকায় রাস্তার পাশে অসহায় অবস্থায় পড়ে থাকা বৃদ্ধ হেমায়েত উল্লাহর বিষয়টি বাংলাদেশ প্রতিদিনে সংবাদ হিসেবে প্রকাশিত হওয়ার পরে মানবিকতার একটি অনন্য দৃষ্টান্ত দেখা গেল। বুধবার, বৃদ্ধের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন (এবিজি ফাউন্ডেশন)। সেই সঙ্গে, সংবাদটি পেয়ে তার আত্মীয়-স্বজনরা সন্ধান পেয়ে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে এসে উপস্থিত হন। প্রয়োজনীয় পরিচয় নিশ্চিত করার পর, বহুদিন পর তিনি পরিবারের কাছে ফিরে যেতে সক্ষম হন।
জানা যায়, প্রায় ৭০ বছর বয়সী এই বৃদ্ধটিকে কয়েক দিন ধরে মাদারীপুর পৌরসভার পানিছত্র এলাকার লিগ্যাল এইড সংলগ্ন সড়কের পাশে অসহায় অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। বয়সের ভার ও অসুস্থতা ও দুর্বলতার কারণে তিনি ঠিকমতো হাঁটতে পারছিলেন না। পথচারীরা কেউ তাকে খেতে বা জল দিতে দেখা গেলেও, কেউ তার পরিচয় জানতেন না এবং তার কাছে কোনো স্বজনেরও খবর পাওয়া যাচ্ছিল না।
পরে, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবক, স্থানীয় যুবক ও সংবাদকর্মীদের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি নিজের পরিচয় এবং ঠিকানা স্বচ্ছভাবে জানাতে পারেননি।
এর পর বাংলাদেশ প্রতিদিনে সংবাদটি প্রকাশিত হওয়ার পর, বিষয়টি সকলের নজরে আসে। এই বৃদ্ধের পাশে দাঁড়ায় এবিজি ফাউন্ডেশন এবং তারা আর্থিক সহায়তা প্রদান করে বৃদ্ধের চিকিৎসার জন্য।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের সমাজসেবা কর্মকর্তা শ্যামল পান্ডে বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রতিদিনে সংবাদ প্রকাশের পরই বৃদ্ধের স্বজনরা তার সন্ধান পান। পাশাপাশি, এবিজি ফাউন্ডেশন বৃদ্ধের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে। তাদের এই মানবিক উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।’
মাদারীপুর জেলা প্রবেশন কর্মকর্তা বি. এম. আসাদুজ্জামান মন্তব্য করেন, ‘এবিজি ফাউন্ডেশন যেভাবে অসহায় এই বৃদ্ধের পাশে দাঁড়িয়েছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। তাদের এই মানবিক উদ্যোগ সমাজের জন্য একটি ইতিবাচক উদাহরণ।’
বৃদ্ধের ছেলে তারেক হোসেন মোল্লা বলেন, ‘আমার বাবার পাশে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা সহায়তা দেওয়ার জন্য এবিজি ফাউন্ডেশনের প্রতি আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন