প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ভারতের উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথ সরকারের নতুন নিয়োগ নীতি অনুসারে, যেসব প্রার্থী প্রতিবাদ বা আন্দোলনের সময় সহিংসতায় জড়িত হবেন, তাদের সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে না।
এই নীতির আওতায়, চরিত্র যাচাই সম্পন্ন হওয়ার পূর্বে সাময়িক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব, তবে সংবেদনশীল পদগুলোর জন্য বিস্তারিত পটভূমি যাচাই করা বাধ্যতামূলক। গুরুতর অপরাধের সাথে যুক্ত প্রার্থীরা সরকারি চাকরির জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবেন। খবর ইন্ডিয়া টুডে’র।
নতুন নীতিমালায় রাজ্যের সরকারি বিভাগ এবং অন্যান্য সরকারি সংস্থায় সরাসরি নিয়োগের জন্য চরিত্র যাচাই এবং পুলিশি পরীক্ষার শর্তাবলী নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন নীতির আওতায় হত্যা, ধর্ষণ, প্রশ্নপত্র ফাঁস, পরীক্ষায় অনিয়ম এবং সাইবার জালিয়াতির মতো গুরুতর অপরাধের সাথে জড়িত প্রার্থীরা সরকারি চাকরির জন্য যোগ্যতা হারাবেন।
নীতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফৌজদারি মামলা সম্পর্কিত তথ্য গোপন করলে নিয়োগ বাতিল হতে পারে। তাই নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময় প্রার্থীদের তাদের ফৌজদারি অতীতের প্রাসঙ্গিক তথ্য প্রকাশ করতে হবে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রার্থীদের চরিত্র যাচাই সম্পন্ন হওয়ার পূর্বেই তাদের সাময়িক নিয়োগ দেওয়া যাবে। তবে সংবেদনশীল পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিস্তারিত চরিত্র যাচাই এবং পটভূমি পরীক্ষা বাধ্যতামূলক থাকবে।
নীতির আওতায়, প্রার্থীদের নিজ জেলায় এবং গত পাঁচ বছরে তারা যেসব জেলায় এক বছরের বেশি সময় ধরে বসবাস করেছেন, সেসব জেলায় পুলিশি যাচাইকরণ করা হবে।
সরাসরি নিয়োগের সময় যে যাচাই-বাছাই করা হয়, তার অংশ হিসেবে প্রার্থীদের বসবাসের ইতিহাসও খতিয়ে দেখা হবে।
নতুন নিয়োগ নীতিটি শুধুমাত্র সরকারি বিভাগগুলোতেই নয়, বরং করপোরেশন, কাউন্সিল, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, পঞ্চায়েত এবং স্থানীয় সংস্থাগুলোতেও সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে বলে জানানো হয়েছে।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন