প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
কানাডাকে ‘সহযোগী সদস্য’ হিসেবে গ্রহণের উদ্যোগের পর, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডকেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে যুক্ত করার সম্ভাবনার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্ট রবার্টা মেটসোলা এই দুই গণতান্ত্রিক দেশকে ইইউর সহযোগী সদস্য করার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ফ্রান্সের স্ট্রাসবুর্গে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন তার বার্ষিক ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণে কানাডাকে ইইউর প্রথম সহযোগী সদস্য করার প্রস্তাব দেন। মেটসোলা সংবাদমাধ্যম ইউরোপ টুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার এই সময়ে বিশ্বস্ত বন্ধু থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ইতোমধ্যে বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে এবং আমরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, খনিজ সম্পদসহ নানা বিষয়ে অংশীদারত্ব বাড়াচ্ছি।”
প্রস্তাবিত এই ‘সহযোগী সদস্যপদ’ পূর্ণ সদস্যপদের সমতুল্য নয়। এসব দেশ ইইউর একক বাজারের কিছু অংশে প্রবেশাধিকার, আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং বিভিন্ন কৌশলগত কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এই ব্লকে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে জানান, তারা প্রতিরক্ষা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও জ্বালানি নিরাপত্তায় ইউরোপের পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত।
তবে, উরসুলা ভন ডার লিয়েনের এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চরম বিরোধিতা করে এটিকে ‘হাস্যকর’ ও বৈরী পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যা দেন। উত্তর ক্যারোলাইনায় সাংবাদিকদের তিনি হুমকি দিয়ে বলেন, যদি এটিকে বৈরী উদ্যোগ মনে করা হয়, তাহলে ইউরোপ থেকে আসা পণ্যের ওপর আরও বড় আকারের শুল্ক আরোপ করা হবে।
জবাবে ইউরোপীয় কমিশনের মুখপাত্র ওলফ গিল জানান, এই বর্ধিত অংশীদারত্ব কোনো দেশের বিরুদ্ধে নয়, বরং নিজেদের সম্মিলিত অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক শক্তি বাড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বজুড়ে ট্রাম্পের বাণিজ্য চাপ ও চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলা করতেই মূলত ইইউ-কানাডা-অস্ট্রেলিয়া জোটবদ্ধ হতে চাইছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন