প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস এবং অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে আদালত খালাস দিয়েছেন। আদালত মির্জা আব্বাসকে পৃথক ১৫ মামলায় এবং আমির খসরুকে এক মামলায় খালাস প্রদান করে।
আজ বৃহস্পতিবার, ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান এ রায় ঘোষণা করেন।
মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে দায়ের করা ১৫টি মামলায় ১২ জনকে আসামি করা হয়েছিল। অপর আসামিরা হলেন- এস এম জাফর উল্লাহ, মো. এমদাদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, গোলাম নবী, কাজী রিয়াজুল মনির, জিয়াউদ্দিন আহমেদ, আব্দুস সাদেক, হুমায়ন খান, মীর মোশাররফ হোসেন, ইকবাল উদ্দিন চৌধুরী, মো. শহীদ আলম। আদালত রায়ে মির্জা আব্বাস ছাড়া বাকি ১১ জনকেও খালাস দেন।
এছাড়া, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে এক মামলায়, আহমেদ আকবর সোবহানকে দুই মামলায়, মেহেদী হাসান, শফিকুর রহমান কিরন, নুরুচ্ছাফা, মো. শুকুর মিয়া, হাসনা আহমেদ, আলী হায়দার চৌধুরীকে পৃথক মামলায় আসামি করা হয়েছিল। আদালত তাদের প্রত্যেককেই এসব মামলায় খালাস দেন।
মির্জা আব্বাসের আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরী বাসস’কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলাগুলোর অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চারদলীয় জোট সরকারের সময় সরকারি ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি রাজউক কর্তৃক সাজানো দরপত্রে কারচুপি ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিদের পাইয়ে দিয়ে তারা সরকারের ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকার ক্ষতি সাধন করেন।
২০০৭ সালের ২৯ মার্চ দুদক এসব ঘটনায় পৃথক ১৫টি মামলা দায়ের করে। মামলাগুলোর তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। একই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।
মামলার বিচার চলাকালে আদালত ২৪ সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন