প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে রোববার (১৯ জুলাই) মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের দুই পরাশক্তি, স্পেন ও আর্জেন্টিনা। এর আগে ফিফা একটি বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে।
এই অনুষ্ঠানের নাম ‘ফ্যানাটিক ফেস্ট’। এখানে নির্দিষ্ট সংখ্যক সমর্থক দুই ফাইনাল্টি কোচ-অধিনায়ককে দেখার সুযোগ পেয়েছেন। এজন্য দীর্ঘ পাঁচ-ছয় ঘণ্টা অপেক্ষা করেছেন দুই দলের সমর্থকেরা।
ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ও সঞ্চালক রিও ফার্দিনান্দ মঞ্চে আসার কয়েক মিনিটের মধ্যে স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে ও অধিনায়ক রদ্রি এসে উপস্থিত হন।
স্পেনের দিকে দুটি চেয়ার ছিল। মাঝে ছিল বিশ্বকাপের ট্রফি। অন্য পাশে তিনটি চেয়ার। সেখানে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি এবং কোচ লিওনেল স্কালোনির সাথে গোলরক্ষক এমিলিয়েনো মার্টিনেজও ছিলেন।
ফার্দিনান্দ পরিচয় পর্ব এবং একটি প্রশ্ন করার পর আসেন টেনিস তারকা নোভাক জোকোভিচ। সার্বিয়ান এই তারকা ইংরেজি ও স্প্যানিশ দুই ভাষায় দুই অধিনায়ককে প্রশ্ন করেন।
জোকোভিচ ও ফার্দিনান্দের উপস্থিতি থাকতেই আসেন আমেরিকার সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা বাস্কেটবলের কেভিন ইরান এবং মেজর সকার লিগের টম ব্র্যাডি। ক্রীড়াঙ্গনের উজ্জ্বল তারকাদের সঙ্গে ছিলেন হলিউডের তারকা কেভিন হার্ট, যিনি অনুষ্ঠানে বেশ কিছু রসিকতা করে পরিবেশ উজ্জীবিত করে তোলেন।
আগামী পরশু দিন নিউইয়র্কে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। এই মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে দুই দলের কোচ-অধিনায়ক খানিকটা প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন। তবে বিশ্বকাপের ট্রফির দুই পাশে দুই দলের খেলোয়াড়-কোচদের মেলবন্ধন এবং সমর্থকদের সম্পৃক্ততাই বিশেষ এই অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য। স্কালোনি এবং দে লা ফুয়েন্তে গুরু-শিষ্য, তারা এই মঞ্চে একে অপরের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন।
মেসিও রদ্রির সঙ্গে করমর্দন করেছেন। এমন একটি সুযোগ সচারচর আসে না। তাই ফার্দিনান্দ সবাইকে একটি ফ্রেমে বন্দি হতে সেলফির আহ্বান জানান। সমর্থকদের পেছনে এবং ট্রফি সামনে রেখে তারকারা ছবি তোলেন।
অনুষ্ঠানের নামই ‘ফ্যানাটিক ফেস্ট’। ফলে অনুষ্ঠানজুড়ে সমর্থকদের করতালি চলছিল। দুই পাশে স্পেন ও আর্জেন্টিনার সমানসংখ্যক সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। মাঝের অংশে ছিল মিডিয়া, যদিও এমন অনুষ্ঠানে মিডিয়ার প্রশ্ন করার সুযোগ ছিল না।
আয়োজকরাই সঞ্চালকের মাধ্যমে সেই ক্ষুধা খানিকটা মিটিয়েছেন। সাধারণত ফাইনালের আগের দিন সংবাদ সম্মেলন হয়, তবে এবার ফিফা দুই দিন আগেই সংবাদ সম্মেলন করেছে। ফাইনালের আগে সমর্থকদের নিয়ে এমন আয়োজন বর্তমানে করা হয়নি। সেদিক থেকে আজকের আয়োজন খানিকটা ব্যতিক্রম হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন