প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ভৌগোলিক কারণে রাশিয়ার সহজ টার্গেটে পরিণত হয়েছে ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলের ছোট্ট শহর নিকোপোল।
অবিরাম ড্রোন হামলায় শহরটির অন্তত ৭০ জন বেসামরিক নাগরিক মারা গেছেন এবং লাখখানেক জনসংখ্যার শহরটি এখন অর্ধেকে নেমে এসেছে। বেঁচে থাকার তাগিদে স্থানীয়রা আত্মরক্ষায় নিজস্ব নানা কৌশল আবিষ্কার করেছেন।
দাতব্য সংস্থা পরিচালনাকারী কবি ওলেক্সান্ডার ভারিতসেভ বলেছেন, "আমরা আসলে এই বিপদের সাথে কিছুটা অভ্যস্ত হয়ে গেছি, যদিও ভয়ের অনুভূতিটা কখনই পুরোপুরি চলে যায় না।" তিনি আরও বলেন, "এটি খুবই ভয়াবহ, এটা যদি আমার জন্যই এত ভীতিকর হয়, তবে আমাদের কেন্দ্রে আসা বয়স্ক পুরুষ ও নারীরা কেমন বোধ করেন তা আপনি সহজেই কল্পনা করতে পারেন।" ড্রোনের এই অবিরাম হুমকির কারণে মানুষ এখন আর খোলা জায়গায় দাঁড়াচ্ছে না।
ড্রোন থেকে বাঁচতে নিকোপোলের আকাশ ক্রমেই জাল দিয়ে ঢেকে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া, ‘জ্যেলো’ অ্যাপ, ‘রেডিওনিকোপোল’ এবং ‘চুইকা’ নামক ডিভাইসের মাধ্যমে নাগরিকদের সতর্ক করা হচ্ছে। অধ্যাপক কারমাইন ক্লেমেন্টে বলেন, "এটি একদম কিছু না থাকার চেয়ে ভালো। তবে এটি কোনো জাদুকরী সমাধান নয়। এটি আপনাকে হয়তো অন্তত কয়েক মিনিট সময় দেবে, যাতে আপনি বাস থেকে নেমে যথেষ্ট দূরে কোথাও গিয়ে লুকিয়ে পড়তে পারেন।" পরিবহন কোম্পানির মালিক মাইকোলা কোশেলিভ বলেন, "সতর্ক থাকা ছাড়া মানুষকে নিরাপদ রাখার আর কোনো উপায় আমাদের কাছে নেই।"
ওলেকসি কিরিলভ এখন মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার কাজ করছেন। ভয় প্রসঙ্গে তার ভাষ্য, "কেবল বোকারাই ভয় পায় না।" পরিস্থিতি বিপজ্জনক হলেও তিনি শহর ছাড়তে নারাজ। তার দৃঢ় বক্তব্য, "হয়তো আমরা একটি তহবিল সংগ্রহ করব এবং একটি ড্রোন ডিটেক্টর কিনব, যাতে হুমকির বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। এটি আমাদের ঘর। আমরা এটি ছেড়ে যাব না।"
বিডিপ্রতিদিন/কেকে
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন