প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
কার্লো আনচেলত্তি ২০৩০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দল গঠন শুরু করেছেন নেইমারের অবসরের পর। এই প্রেক্ষাপটে ম্যাচে পেনাল্টি নেওয়ার গুরুদায়িত্ব পান রানিফিয়া। বার্সেলোনার এই তারকা অনুপস্থিত থাকলে ব্রুনো গিমারায়েসের পেনাল্টি নেওয়ার কথা ছিল। তবে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচে সবকিছু বদলে যায়।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে রাফিনিয়া প্রথম পেনাল্টি নেওয়ার পর ইনজুরির কারণে মাঠ ছাড়েন। ৮০ মিনিটে দ্বিতীয় পেনাল্টি গিমারায়েসের নেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু শট নিতে আসেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ম্যাচ শেষে এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা এর কারণ ব্যাখ্যা করেছেন।
বিশ্বকাপের পর থেকে ভিনিসিয়ুস নিজেকে খুঁজে পাচ্ছেন না। তাই তাকে ফর্মে ফেরাতে গিমারায়েস ভিনির হাতে বল তুলে দেন। এ জন্য সতীর্থকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।
ভিনিসিয়ুস বলেন, "রাফিনিয়া যখন মাঠে থাকবে না, তখন আমাদের পেনাল্টি নেওয়ার দায়িত্ব ব্রুনো গিমারায়েসের। আমি ভেবেছিলাম সে নিতে চাইবে, তবে সে জানে যে বর্তমানে আমার কিছুটা আত্মবিশ্বাস দরকার। বিশ্বকাপে হেরে যাওয়া অনেক বড় ধাক্কা এবং সেটা মেনে নেওয়া কঠিন, আর ঘুরে দাঁড়ানোও সহজ নয়।"
পরে গিমারায়েসও তার পেনাল্টি না নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেন। আর্সেনালের এই মিডফিল্ডার বলেন, "দলের সবার মধ্যে একতাই সবচেয়ে বড় বিষয়। এটাই কারণ ছিল (পেনাল্টিটা ভিনিকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে)। পেনাল্টির ঘটনার পর, অনেক কিছুই সামনে আসে। কিন্তু এখানে জাতীয় দলে, আমাদের মধ্যে কেউ ব্যক্তিগত অর্জন নিয়ে ভাবে না।"
আনচেলত্তি ভিনিকে পেনাল্টি নেওয়ার অনুমতি দিয়েছিলেন। গিমারায়েস বলেন, "বিশ্বকাপে আনচেলত্তি আমাকে পেনাল্টি নিতে বলেছিলেন। আর আজ তিনি ভিনিকে নিতে বলেন। ভিনির একটা গোল করা খুব দরকার ছিল। সে খুব ভালোভাবেই সেটা করেছে।"
তিনি আরও বলেন, "আমাদের কারও মধ্যে ব্যক্তিগত অর্জন নিয়ে ভাবনা নেই। ব্রাজিলের জন্য কোনটা সেরা, সেটাই আমরা চাই। তার জন্য আমরা খুশি এবং এভাবে কাজ করে যাওয়াটাই আসল।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন