প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের সার্ভার হ্যাক করে শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার মাধ্যমে মদ ও সিগারেট খালাসের চেষ্টা ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শেখ সেজান নামে আরও এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার(১৫ জানুয়ারি) নেপাল পালানোর সময় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেফতার করে সিএমপি’এর কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগ।
এদিকে, শুক্রবার(১৭ জুলাই) একটি সংবাদ সম্মেলনে গ্রেফতারের এই বিষয়টি সিএমপি পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সিএমপি’এর অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ জানান, এই চক্রের সদস্যরা চীন থেকে বন্ড সুবিধায় ভুয়া ঘোষণা করে একটি কন্টেইনারে ১১ হাজার ৬৭৬ লিটার বিদেশি মদ এবং অপর একটি কনটেইনারে ৫০ লাখ শলাকা বিদেশি সিগারেট আমদানি করেন। তারা জাল ঋণপত্র (এলসি) তৈরি করে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেম হ্যাক করে কন্টেইনারটি খালাসের চেষ্টা করেন। এর ফলে সরকারের অন্তত ১০ থেকে ১২ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শেখ সেজান কাস্টমস ও বন্দরের সার্ভারে অবৈধভাবে প্রবেশ, অন্যের ব্যবহারকারী পরিচয় ব্যবহার, পাসওয়ার্ড পরিবর্তন এবং প্রতারণামূলক কাস্টমস কার্যক্রমে কারিগরি সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
তিনি আরও জানান, তদন্তে পাওয়া ডিজিটাল আলামত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়- ২০২৪ সালের ২০ মে একটি মোবাইল ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে কাস্টমসের এক কর্মকর্তার পরিচয়ে অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করা হয়। পরে একই পরিচয় ব্যবহার করে বিদেশি সিগারেট আমদানির ঋণপত্র নিবন্ধন ও কার্যক্রম শুরু করা হয়।
পুলিশ জানায়, শেখ সেজানের বিরুদ্ধে সরকারি বিভিন্ন জনসেবামূলক ওয়েবসাইটের নকল সংস্করণ তৈরি, জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন, ভূমি উন্নয়ন করের রসিদ, টিকা সনদসহ বিভিন্ন সরকারি ডিজিটাল সেবা জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় সাইবার অপরাধ ও প্রতারণার মোট সাতটি মামলা আছে।
এর আগে এ ঘটনায় দায়ের হওয়া দুটি মামলায় সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠান হাফেজ ট্রেডিং প্রাইভেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান খালেদ হোসেন মামুন, পরিচালক বাকির হোসেন, প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী খোরশেদ আলম রিপন ও মিজান এবং চক্রের সদস্য আশরাফ হোসেন রাজু, খায়েজ আহমেদ ওরফে আরিফ এবং বড় রাজুসহ মোট সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন