প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
অযোধ্যার রামমন্দিরে দানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে কংগ্রেস নতুনভাবে সরব হয়েছে। দলটির অভিযোগ হলো, ঘটনাটির প্রেক্ষিতে সরকার নীরব থেকেছে এবং নিরপেক্ষ তদন্তের পরিবর্তে বিষয়টি আড়াল করার চেষ্টা করছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) অযোধ্যায় প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা করেছিল উত্তর প্রদেশ কংগ্রেস। তবে তাতে দলের দাবি, কর্মসূচি শুরুর আগেই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অজয় রায়সহ বেশ কয়েকজন নেতাকে পুলিশ আটকে দেয়।
কংগ্রেসের অভিযোগ, অযোধ্যায় যাওয়ার পথও তাদেরকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। দলের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তার বক্তব্য ছিল, অভিযোগের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে একটি পরিষ্কার ব্যাখ্যা দেওয়া উচিত।
নয়াদিল্লিতে সংবাদ সম্মেলনে কংগ্রেসের মুখপাত্র সুপ্রিয়া শ্রীনাথে বলেন, রামমন্দিরে ভক্তদের দানের অর্থ নিয়ে ওঠা অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুতর।
তিনি আরও দাবি করেন, বিষয়টির তদন্ত সুপ্রিম কোর্টের বর্তমান কোন বিচারপতির তত্ত্বাবধানে করা উচিত এবং অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। কংগ্রেসের অভিযোগের বিষয়ে বিজেপি বা রামমন্দির ট্রাস্টের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রামমন্দির একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই এই ঘটনাকে ঘিরে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
অন্যদিকে, অযোধ্যায় কংগ্রেসের কর্মসূচি বাধা দেওয়ার অভিযোগও নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। বিরোধী দলটির দাবি হলো, তাদেরকে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। রামমন্দিরে দানের অর্থ নিয়ে ওঠা অভিযোগ, তদন্তের দাবি এবং এ নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর বর্তমানে ভারতের জাতীয় রাজনীতির অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন