প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বাজেটে স্বাস্থ্য খাতকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
আজ রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি)-তে অনুষ্ঠিত ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গঠনে ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার ভূমিকা’ শীর্ষক এক কর্মশালা এবং চিকিৎসক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
এই কর্মশালা ও চিকিৎসক সমাবেশের আয়োজন করে ইউনানী আয়ুর্বেদিক গ্রাজুয়েট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আগড্যাব)।
এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে চিকিৎসকদের উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হোমিও ও দেশজ চিকিৎসার পরিচালক ডা. ফরিদা ইয়াসমিন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের মহাসচিব রফিকুল ইসলামসহ দেশের প্রখ্যাত ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ এবং নীতিনির্ধারকগণ।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রচলিত এলোপ্যাথির পাশাপাশি ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতির সবারই নিজস্ব ক্ষেত্র থেকে অবদান রাখার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিকের তুলনায় দেশে বর্তমানে হোমিওপ্যাথির প্রচলন অনেক বেশি। মানুষ এখন হারবাল মেডিসিনের প্রতিও আগ্রহী হয়েছে এবং হামদর্দ এখনও সুনামের সহিত কাজ করে যাচ্ছে।
বাগত সরকারের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, এদেশের মানুষের প্রতি তাদের কোনো দায়বদ্ধতা ছিল না। বাংলাদেশের টিকাদান কর্মসূচির মত অনেক ইতিবাচক উদ্যোগ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে শুরু হয়েছিল। সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) তার একটি উদাহরণ। কিন্তু বিগত সরকারের সময়ের অবহেলার কারণে আজ হামের মত রোগ উদ্বেগজনক আকারে দেখা দিয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, শিশুদের মৃত্যুর হৃদয়বিদারক দৃশ্য আমরা দীর্ঘ সময় পরে দেখলাম। যদি যথাসময়ে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া হতো তবে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না।
সর্বমহলে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা উন্মুক্ত করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, আমি মনে করি এই চিকিৎসা বিজ্ঞানের আরও উৎকর্ষ সাধন প্রয়োজন। আরও গবেষণা হওয়া উচিত এবং স্নাতকোত্তর শিক্ষা সম্প্রসারণসহ এর পরিধি বাড়ানো প্রয়োজন। গবেষণার মাধ্যমে যদি এই চিকিৎসা ব্যবস্থার গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়ানো সম্ভব হয়, তাহলে মানুষের মধ্যে আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন