প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
পাঁচ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা সংঘাত বন্ধে সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ার পর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের বিরুদ্ধে এক অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কড়া হুঁশিয়ারি প্রদান করেছেন।
বুধবার (১৯ আগস্ট) ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে ‘সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ধ্বংসাত্মক অর্থনৈতিক অভিযান’ শুরু করার ঘোষণা দেন।
ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন, সুযোগ পাওয়া সত্ত্বেও ইরান চুক্তিতে আসতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে দেশটি নজিরবিহীন অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও চরম একঘরে পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে যাচ্ছে।
ইরানের সঙ্গে ব্যবসায় লিপ্ত যেকোনো দেশকে কড়া সতর্কবার্তা প্রদান করে ট্রাম্প জানিয়েছেন, যারা তেহরানকে কোনো আর্থিক, বাণিজ্যিক বা কূটনৈতিক সুবিধা প্রদান করবে, তাদের পরিণতি ভোগ করতে হবে। তিনি তেল চোরাচালান, অর্থ স্থানান্তর, নিবন্ধিত জাহাজ এবং ভুয়া কোম্পানির কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ প্রদান করেন। এই পদক্ষেপকে ট্রাম্প একটি ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ অভিহিত করে, মিত্র দেশগুলোকে তেহরানকে বিচ্ছিন্ন করার আহ্বান জানান।
চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকে মার্কিন প্রশাসন ‘অপারেশন ইকোনমিক ফিউরি’র আওতায় তেহরানের অর্থ প্রবাহ বন্ধে কঠোর তেল, নৌ ও আর্থিক নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে আসছে। তবে নির্দিষ্ট পদক্ষেপের বিস্তারিত সম্পর্কে কোনো প্রকাশ না হওয়ায়, ওয়াশিংটন থেকে আল জাজিরার প্রতিনিধি মাইক হ্যানা মন্তব্য করেছেন, ট্রাম্পের এই বক্তব্যে কিছুটা হতাশার ছাপ দেখা যাচ্ছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র এবার চীন, তুরস্ক ও ইরাকের ওপর দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে। ব্র্যান্ডিস ইউনিভার্সিটির অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক নাদের হাবিবি দাবি করেছেন, চীন সরকার এই মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় সাড়া না দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ায়, বেজিংয়ের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা ওয়াশিংটনের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হবে।
সূত্র: আল জাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন