প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বর্তমান সময়ের অনেকেই নতুন করে ভোটার হিসেবে নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন, কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্র এখনো পায়নি। তবে, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) প্রয়োজন পড়ায় সমস্যায় পড়েছেন অনেকেই। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের অফিসে না গিয়ে এনআইডি পাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
নতুন ভোটাররা জরুরি প্রয়োজনে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অনলাইন সেবার মাধ্যমে সহজেই তাদের এনআইডির ডিজিটাল কপি ডাউনলোড করতে পারবেন। এই কপি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, সিম নিবন্ধন, চাকরির আবেদন, বিদ্যুৎ বিল, ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ বিভিন্ন জরুরি কাজের জন্য ব্যবহার করা যাবে।
অনলাইনে এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করার জন্য কয়েকটি নথি ও তথ্য আগে থেকেই প্রস্তুত রাখতে হবে। যেমন- ১. ভোটার নিবন্ধনের সময় দেয়া ফরম নম্বর (NIDFN) বা ১৭ ডিজিটের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, ২. জন্মতারিখ, ৩. একটি সচল ফোন নম্বর, ৪. বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানার তথ্য, ৫. ফেস ভেরিফিকেশনের জন্য অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোন ডিভাইস, ৬. এনআইডি ওয়ালেট (NID Wallet) অ্যাপ।
এখন এনআইডি কার্ড অনলাইনে ডাউনলোড করার উপায় সম্পর্কে জানাচ্ছি। প্রথমে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের এনআইডি সেবার ওয়েবসাইটে যেতে হবে। এরপর রেজিস্টার অপশনে ক্লিক করুন। আপনার কাছে থাকা ফরম নম্বর অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও জন্মতারিখ লিখে ক্যাপচা পূরণ করুন। পরবর্তী ধাপে বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানার তথ্য নির্বাচন করুন।
এখন সঙ্গে থাকা সচল ফোন নম্বরে একটি ওটিপি বা এককালীন পাসওয়ার্ড পাঠানোর ব্যবস্থা হবে। উক্ত ওটিপি সাবমিট করে ফোন নম্বর যাচাই প্রক্রিয়ার কাজটি সম্পন্ন করুন। এরপর আপনার স্ক্রীনে একটি কিউআর কোড প্রদর্শিত হবে। এখন ফোনে এনআইডি ওয়ালেট অ্যাপ খুলে ওই কিউআর কোড স্ক্যান করুন এবং অ্যাপের নির্দেশনা অনুযায়ী মুখের ছবি মিলিয়ে ফেস ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করুন।
যদি ফেস ভেরিফিকেশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়, তাহলে একটি পাসওয়ার্ড সেট করে নিন। এরপর ওই পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে এনআইডি পোর্টালে লগইন করুন। তারপর নিজের প্রোফাইলে প্রবেশ করুন। সেখানে ডাউনলোড অপশনে ক্লিক করলে জাতীয় পরিচয়পত্রের পিডিএফ কপি ডাউনলোড হবে। এটি আপনার প্রয়োজনে সফট কপি বা প্রিন্ট করে সংরক্ষণে রাখুন।
কখনো কখনো নতুন ভোটারদের তথ্য সার্ভারে হালনাগাদ হতে কিছু সময়ের প্রয়োজন হতে পারে। এর ফলে এনআইডি সঙ্গে সঙ্গে ডাউনলোড করা নাও যেতে পারে। সেক্ষেত্রে কয়েকদিন পর পুনরায় চেষ্টা করুন। ফেস ভেরিফিকেশন বারবার ব্যর্থ হলে আপনার অবস্থান বা জায়গা পরিবর্তন করে যথেষ্ট আলোযুক্ত স্থানে দাঁড়িয়ে আবার চেষ্টা করুন। ফোনের ক্যামেরা পরিস্কার কিনা, সেটি নিশ্চিত হতে হবে। ফোনে ওটিপি না এলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে পুনরায় চেষ্টা করুন। এরপরও যদি কোনো জটিলতা দেখা দেয়, তাহলে নির্বাচন কমিশনের হেল্পলাইন ১০৫ নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে।
এটি জানা জরুরি যে, অনলাইনে এনআইডি ডাউনলোডের সুবিধা মূলত নতুন ভোটারদের জন্য বেশি কার্যকর। কিন্তু যাদের আগে থেকেই এনআইডি রয়েছে, তারাও নিবন্ধিত অ্যাকাউন্ট থাকলে প্রয়োজনে অনলাইনে ডিজিটাল কপি ডাউনলোড করতে পারবেন। যদি কার্ড হারিয়ে যায় বা কোনো তথ্য সংশোধনের প্রয়োজন হয়, তাহলে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী আবেদন করতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন