প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
হলিউডের তারকা হেনরি ক্যাভিলের ভাতিজা, থমাস, ছোটবেলায় স্কুলে গিয়েছিল এবং সেখানে সহপাঠীদের বলেছিল যে, তার চাচা হচ্ছে সুপারম্যান। কিন্তু এই বক্তব্যে বিশ্বাস করেনি শিক্ষক ও অন্যান্য সহপাঠীরা। বরং শিক্ষক তাকে মিথ্যা বলার জন্য শাসন করেছিলেন। পরবর্তীতে থমাসের মা যখন বিষয়টি নিশ্চিত করেন, তখন পুরো পরিস্থিতি অন্যরূপ ধারণ করে। ক্যাভিল নিজেই এই ঘটনাটি বিভিন্ন টেলিভিশনে সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে উল্লেখ করেছেন।
ঘটনাটি ঘটে যখন ক্যাভিল সুপারম্যানের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য নির্বাচিত হন। একবার পরিবারের সঙ্গে স্কুলে একটি আলোচনার সময় থমাস গর্ব করে জানায়, তার চাচা হচ্ছে সুপারম্যান। তবে শিক্ষকেরা থমাসের কথা বিশ্বাস করেননি, কারণ তাকে স্কুলে গল্প বানিয়ে বলার জন্য পরিচিত ছিল। এজন্য তাকে সতর্ক করা হয় যে, মিথ্যা বলবেন না এবং পূর্বোক্ত বিষয়টি তার মাকে জানানো হয়।
স্কুল থেকে ছেলের চিকিৎসক নেয়ার সময় থমাসের মা শিক্ষককে জানান যে, থমাস আসলে মিথ্যা বলছে না। তার চাচা সত্যিই হেনরি ক্যাভিল, যিনি পর্দায় সুপারম্যান হয়ে আছেন। এই সম্পর্কিত ক্যাভিলের বর্ণনা অনুযায়ী, এরপর থমাস আত্মবিশ্বাসের সাথে সবকিছু ব্যাখ্যা করে দেয় যে, সে সত্যিই শুরু থেকেই সত্য কথা বলছিল।
ঘটনাটি পরবর্তী সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্নভাবে ভাইরাল হয়ে যায়। তবে কিছু বিভ্রান্তিও তৈরি হয়েছে একটি ছবিকে কেন্দ্র করে। ছবিটি ক্যাভিলের ভাতিজাকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার সময়ের দৃশ্য মনে হলেও, ফ্যাক্ট-চেক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, ছবিটি আসলে ২০১৩ সালে তোলা একটি পারিবারিক ছবি এবং এটি পরে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে প্রচার করা হয়েছে।
একই সাথে, হেনরি ক্যাভিল ২০১৩ সালে জে লেনোর অনুষ্ঠানে এই ঘটনার কথা বলেছিলেন এবং ২০১৮ সালে ‘লাইভ উইথ কেলি অ্যান্ড রায়ান’ অনুষ্ঠানে বিষয়টি আবার খোঁজখবর নিয়েছেন। এর মানে হল, এটি নতুন কোনো ঘটনা নয়, বরং ক্যাভিলের নিজের কণ্ঠে প্রকাশিত একটি পুরনো পারিবারিক ঘটনা, যা সময়ের সাথে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বারবার ভাইরাল হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন