প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী এলাকায় অবস্থিত ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডে বিষাক্ত হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসের কারণে ৯ জন শ্রমিকের মৃত্যু ঘটার পর শ্রম আদালতের নিয়ম অনুযায়ী এই বিপুল অর্থ জমা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ অনুসারে, কর্মক্ষেত্রে কোনো শ্রমিক নিহত হলে প্রাথমিক আইনি ক্ষতিপূরণ হিসেবে মালিকপক্ষকে প্রতি শ্রমিকের জন্য দুটি লাখ টাকা করে শ্রম আদালতে জমা দিতে হয়। রোববার (১৬ আগস্ট) মালিকপক্ষ মোট ১৮ লাখ টাকা জমা দেয়, যা দুই লাখ টাকা করে ৯ শ্রমিকের জন্য।
মালিক এবং বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসবিআরএ) পক্ষ থেকে নিহত শ্রমিকের পরিবারকে দশ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে, এমনটি বলা হয়েছে।
ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার পরে সংশ্লিষ্ট জাহাজভাঙা কারখানার সব ধরনের কার্যক্রম আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। ঘটনার সঠিক কারণ জানার উদ্দেশ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন এবং মালিক সমিতির পক্ষ থেকে পৃথক তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ডাইনামিক শিপ ইয়ার্ডের মালিক মো. মহিউদ্দিন বলেন, নিহত ৯ শ্রমিককে দশ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। এর মধ্যে শ্রম আদালতের দুই লাখ টাকা রোববার জমা দেওয়া হয়েছে।
শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড শ্রমিক কর্মচারী ফেডারশনের সাধারণ সম্পাদক কে এম শহিউল্লাহ বলেন, জাহাজ ভাঙা শিল্পে প্রায়ই এমন দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। তবে আদালতের মাধ্যমে এই ক্ষতিপূরণ আদায় একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। ভবিষ্যতে ইয়ার্ডগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো শ্রমিক এভাবে অকালে প্রাণ হারাতে না হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন