প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন শান্তি উদ্যোগের ঘোষণা দিলেও গাজার ওপর ইসরায়েলের সামরিক অভিযান থেমে নেই।
স্থানীয় সময় রোববার (০২ আগস্ট) ভোর থেকে শুরু হওয়া অবরুদ্ধ উপত্যকার বিভিন্ন অঞ্চলগুলোতে ইসরায়েলি বাহিনীর একাধিক বিমান ও ড্রোন হামলায় অন্তত ১৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছে গর্ভবতী নারী ও শিশু।
আল জাজিরা গাজার আল-শিফা হাসপাতালের চিকিৎসা সূত্রগুলোর মাধ্যমে জানিয়েছে, গাজার পশ্চিমাংশের আল-সৌসি টাওয়ারে হেলিকপ্টার থেকে চালানো হামলার ফলে তিনজন নিহত হয়। তারা হলেন আব্দুল্লাহ আবু তায়িফ (৩৩), তার গর্ভবতী স্ত্রী আবীর আনান (২৯) এবং তাদের পাঁচ বছরের ছেলে আজাম।
দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসের উত্তরপশ্চিম আল-কারারার একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে আরও একটি হামলায় আল-হমস পরিবারের তিন সদস্য নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছে মাহমুদ (৩৮), স্ত্রী ফাতিমা (৩৭) এবং কিশোরী মেয়ে।
গাজার নাসের হাসপাতালের সূত্র জানায়, এ হামলায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন। কামু আবু মালিক (৬৮) এবং তার স্ত্রী হুদা (৫৯) গাজার মধ্যাঞ্চলীয় দিয়ের আল-বালাহতে আরেক হামলায় নিহত হন। একই এলাকায় আরেক হামলায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই ভাই নিহত হন।
গাজার উত্তরাংশে জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে সরাসরি করেছেন আরেক হামলায় একজন ফিলিস্তিনি নিহত হন। খান ইউনিসের আল মাওয়াসির এক তাঁবুতে ইসরায়েলি হামলায় আরেক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন।
গাজা সিটির পশ্চিমে রেমাল এলাকায় বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য গড়ে তোলা তাঁবু শিবিরে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় দুই ফিলিস্তিনি নিহত হন। গাজা সিটিতে একটি গাড়িতে চালানো হামলায় আরও চারজন মারা যান।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভোর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলাগুলোর ফলে একদিনে সবচেয়ে বেশি মানুষ নিহত হয়েছে যেটি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ঘটেছে।
গাজা থেকে আল জাজিরার প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, গত ৪৮ ঘণ্টায় ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো পূর্ব সতর্কতা ছাড়া নিচু দিয়ে উড়ে গিয়ে বহু লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানি করেছে। অধিকাংশ লক্ষ্যস্থলে ছিল ভবন, অ্যাপার্টমেন্ট, এবং বেসামরিকদের জটলা।
ইসরায়েল জানাচ্ছে, এগুলো বৈধ লক্ষ্যস্থল ছিল কারণ সেখানে হামাস ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে শনিবার গাজার বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি আক্রমণে অন্তত আট ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছিল।
ফিলিস্তিনিরা বলছেন, তথাকথিত যুদ্ধবিরতি চলাকালীন ইসরায়েল প্রতিদিন হামলা চালিয়ে মানুষ হত্যা করছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে মানবিক ত্রাণের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ, ফলে এই য্বুদ্ধবিরতি একটি ‘বিভ্রান্তি’ তৈরি করে মানবিক সংকটকে আরও গভীর করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন