প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ মন্তব্য করেছেন যে, রাজনৈতিক চাপ তৈরির জন্য পানি কোনোভাবেই ব্যবহার করা উচিত নয়। তিনি উল্লেখ করেন, পানি এই অঞ্চলের মানুষের জীবন ও ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।
এটি তিনি কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) রাষ্ট্রপ্রধানদের বৈঠকে বক্তব্য দেওয়ার সময় বলেন।
শাহবাজ শরিফ আরও বলেন, আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলোকে অবশ্যই তাদের মূল উদ্দেশ্য ও শর্ত অনুযায়ী সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি বলেন, “রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বা চাপ প্রয়োগের জন্য পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা অগ্রহণযোগ্য।” পানি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জীবন ও নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে শাহবাজ শরিফ এই মন্তব্য করেছেন।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, টেকসই শান্তি ও আঞ্চলিক সহযোগিতা ছাড়া দক্ষিণ এশিয়া তার সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারবে না। তিনি বলেন, “পানি আমাদের অঞ্চলের জীবনধারা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জীবনের নিশ্চয়তা।”
আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলোকে সম্মান করা এবং নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী সেগুলো বাস্তবায়নের ওপরও তিনি জোর দেন। তার মতে, অভিন্ন পানিসম্পদ নিয়ে কোনো বিরোধ দেখা দিলে আন্তর্জাতিক আইন ও প্রচলিত ব্যবস্থার মাধ্যমে তার সমাধান করা উচিত।
এ সময় তিনি তুরস্ক ও সৌদি আরবের সঙ্গে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়েও আলোচনা করেন। শাহবাজ শরিফ স্পষ্ট করেন যে, মক্কা চুক্তি কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয়।
তিনি বলেন, পাকিস্তান বহুপক্ষীয় ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা এবং শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ মীমাংসার পক্ষে। সম্প্রতি আঞ্চলিক সংকটের সময় উত্তেজনা কমাতে পাকিস্তান কার্যকর ভূমিকা রেখেছে বলেও দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য, পাকিস্তানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলে ইসলামাবাদে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানোর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
শাহবাজ বলেন, পাকিস্তান সব বিরোধ শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলায় বিশ্বাসী। আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার সঙ্গে জড়িত চুক্তি ও প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবে কার্যকর করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও দায়িত্ব রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক বিভিন্ন সংকট দেখিয়েছে যে নিরাপদ জ্বালানি করিডোর এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা জরুরি।
তথ্যসূত্র: সামা টিভি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন